এই ঘটনায় বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন গ্রামের হাজার হাজার মানুষজন। এর পর স্থানীয় ওই এলাকার এক বাসিন্দা বাবলু নস্করের নেতৃত্বে মৃত হনুমানকে মাতলা নদী সংলগ্ন এন্ডোলের শ্মশানে সমাধীস্থ করা হয় গত ২ জানুয়ারী শুক্রবার সকালে। শাস্ত্র তিথি মেনে তিন দিন পরে মঙ্গলবার হনুমানের আত্মার শান্তির জন্য গ্রামবাসীরা মিলিতভাবে পারলৌকিক ক্রিয়ার আয়োজন করেন।
advertisement
সেই উপলক্ষে সকাল থেকে হোমযঞ্জ, হরিনাম সংকীর্তন ও গীতা পাঠের মধ্যদিয়ে মৃত সন্তানসম্ভবা হনুমানের পারলৌকিক ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের কর্মযঞ্জে গ্রামবাসীদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এলাকার কিছু শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ। এছাড়া কিছু সমাজসেবী ও এক গ্রামীন চিকিৎসক এগিয়ে এসেছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এদিন পারলৌকিক কাজের শেষে প্রায় ২০০০ মানুষের মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করেন গ্রামবাসীরা। এছাড়া এলাকার মানুষের দাবি, তারা আগামী দিনে এই এলাকায় মৃত হনুমানের একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করবেন। পাশাপাশি হনুমানজীর স্মরণ রাখতে গ্রামের একটি রাস্তার নতুন নামকরণ হবে। যাতে এলাকার মানুষ এই হনুমানে কথা ভুলে না যায়।






