এই ঘটনায় ২২ বছরের আরিফুল মোল্লা সহ নাবালিকার বাবা ও জেঠুকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে পাত্রের মামাকেও আটক করেছে কুলতলি থানার পুলিশ। নাবালিকাকেও উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা চলছে, জোর করে তাকে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল কী না। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
advertisement
আরও পড়ুন: জেল থেকে ফিরে পুরনো পেশায়, চায়ের দোকানের আড়ালে বেআইনি কারবার! পুলিশের হানায় পর্দাফাঁস
প্রসঙ্গত প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নাবালিকা বিবাহ রোধে সচেতনতা প্রচার চালানো হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও অনেক জায়গায় এই বিধি নিষেধ মানা হয় না। প্রসাশনের চোখে ফাঁকি দিয়ে চলে এইসব কারবার। গ্রামগঞ্জে এখনও এই ধরনের বেআইনি ঘটনা প্রায়শই সামনে আসছে।
কিন্তু এই ধরণের ঘটনা আটকাতে প্রাশসান আগের থেকেও বেশি তৎপর ও কঠোর মনোভাব নিয়েছে। যার প্রামণ মিলেছে এদিন। আইন অমান্য করে নাবালিকার ভবিষ্যৎ নষ্ট করার এই প্রচেষ্টায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। ফলে নাবালিকাকে বিয়ে করতে এসে শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে যুবকের।
