শ্রেণীকক্ষে ছাত্রছাত্রীদের খারিফ ও রবি শস্য, বীজতলা কীভাবে রোপণ করা হয়, কিভাবে কৃষকরা কঠোর পরিশ্রম করেন সেই বিষয়ে পড়ানো হয়। সেই জ্ঞানকে বাস্তবে প্রত্যক্ষ করার সুযোগ দিতে এই প্রয়াস গ্রহণ করে স্কুল। তাছাড়া সুন্দরবন এলাকার এই স্কুলে আসা অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবারের বাবা-মা কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। ফলে তাদের মাটির সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে এই প্রয়াস খুবই কাছে টেনেছে সকলের।
advertisement
আরও পড়ুন: নিজের বেতন জমিয়ে বিভিন্ন দেশে চষে বেড়াচ্ছেন ‘এই’ শিক্ষক! একাই বদলে দিচ্ছেন পরিবেশের ভবিষ্যৎ
এই সম্পর্কে স্কুলের শিক্ষকদের দাবি, “আমরা যে ভাত খাই, তা কৃষকদের প্রায় ১২০ দিনের কঠোর পরিশ্রমের ফল। এখন ছাত্র-ছাত্রীরা নিজের চোখে বিষয়টি দেখছে এবং উপলব্ধি করছে। একই সঙ্গে তাদের হৃদয়ে কৃষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানবোধ আরও গভীরভাবে গড়ে উঠবে।” মাঠে গিয়ে বীজতলা রোপণ করে খুবই খুশি অর্পণ বৈদ্য, প্রিয়া বৈদ্য, রূপসা অধিকারীর মত খুদে পড়ুয়ারা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাদের মা-বাবারা যখন জমিতে বীজতলা রোপণ করতে যায় তারাও মাঠে যায় তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে। স্কুলে এসে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পরামর্শে জমিতে গিয়ে তারা খুবই খুশি। এ নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শশাঙ্ক হালদার জানিয়েছেন, “ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠ্যবইয়ে বীজতলা রোপণ থেকে অঙ্কুরোদগম সব কিছু পড়ানো হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের মাঠে নিয়ে এসে সেই বিষয়টির বাস্তব উপলব্ধি করানো হল। এর ফলে বিষয়টি তাদের মনে থাকবে চিরজীবন।”





