কলকাতা থেকে অনেক দূর ৷ ৩৪২ কিলোমিটারের আশেপাশে ৷ ট্রেনে চেপে সেখানেও ভোট এসেছে ৷ অযোধ্যার লালমাটির গায়ে ভোটের গন্ধ লেগেছে ৷ পুরুলিয়ার পাহাড় ডিঙিয়ে ভোট উত্তাপ বোধহয় পৌঁছয়ইনি জঙ্গলমহলের কয়েকটা নিরিবিলি গ্রামে ৷ রয়েছে শৈশবের অবাক চাউনি ৷
দুপুর রোদে কলসির ঠান্ডার ছলাৎ ছল ৷ নেলপালিশ আর গয়নার বিলাসিতা ৷
advertisement
সময় কেটে এগিয়ে চলা সাইকেল ৷ বাড়ি ফেরার ব্যস্ততা ৷
ঘাটবেড়া, খুনটাঁড়, কেরুয়া-র মত গ্রামগুলো এসব নিয়েই বাঁচে ৷ ভোট এল কী গেল, তা নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই ৷ যে খেতে দেয়, ভোট তাঁর ৷ খাওয়ার জন্য শপথ হয় ৷ তাঁরা বলেন, তাঁদের আবার মতামত কী ? পুরুলিয়ার এক বাসিন্দার কথায়, ‘ভোট দিতে বলে তাই দিই.. আমাদের মতামত নেই.. আমরা গরিব ৷’ কে মোদি, কে মমতা ? না, তাঁরা জানেন না।
ছৌ-টুসু-ভাদু পরবের জঙ্গলমহল জানে ভোট এসেছে.. কে ক্ষমতায় এল, কে গেল.. না, তা জানে না ঘাটবেড়া, খুনটাঁড়, কেরুয়া.. গ্রামগুলো জানে, সবাই ভোট দেয় তাই ভোট দিতে হয় ৷ ভোট এলে ভালমন্দ খেতে পাওয়া যায়.. বাকি সময়টা তো ব্রাত্যই থেকে যাওয়া ৷
