আক্রান্ত ওই মহিলার নাম অরূপা হালদার। তাঁর বাড়ি কালনার কাটিগঙ্গা এলাকায়। মহালয়ার জন্য মাসতুতো দাদা সাথে অপরূপা দেবীর মেয়ে বাজি কিনতে বাজারে যাচ্ছিলেন। ওই মাসতুতো দাদাকে রাস্তার মধ্যেই মারধর করে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশ্ব দাস।
কেন দিদির ছেলেকে মারধর করা হয়েছে তা স্বামীর কাছে জানতে চান অরূপা দেবী। তা নিয়েই দু 'জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেই সময় ঘরে থাকা চপার বের করে নিয়ে এসে হাত কেটে নেওয়ার চেষ্টা করে তার স্বামী। গুরুতর জখম অবস্থায় অরূপা দেবীকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন - কীসের ভদ্রতা! ম্যাচ জিততে দীপ্তির ‘এই’ কাণ্ড, মুখ খুললেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রইল ভিডিও
অরূপা দেবী জানান, স্বামীর অত্যাচারে অনেক দিন আগেই শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে এসে থাকছিলাম। আমি কালনায় বসবাস করছি দেখে আমার স্বামী কাকদ্বীপ থেকে কালনায় এসে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। মাঝেমধ্যেই টাকা চায়। বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলে। প্রায়শই খুনের হুমকি দেয়। তার স্বামী বিশ্ব দাস। ও খুন করার শখ তৈরি করে ফেলেছিল সে জন্যই অকারণ বোনের ছেলেকে রাস্তায় মারধর করে, এরপর আমি তার প্রতিবাদ করলে চপার নিয়ে আঘাত করে। বাঁ হাতের আঙুল গুলির ওপর সেই আঘাত লাগে।
ওই মহিলা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের চেষ্টা অভিযোগে বিশ্ব দাস নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কালনা থানার পুলিশ। কেন সে তার স্ত্রীকে খুন করার চেষ্টা করল তা জানতে ধৃতকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। ওই চপার সে কোথা থেকে পেলেও তাও জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
Saradindu Ghosh
