ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রিড বিরোধিতায় রাজভবন অভিযান। আয়োজক পরিবেশ, বাস্তুতন্ত্র ও জলাজমি রক্ষা কমিটি।
কিন্তু, সেই মিছিলে বামেরা যোগ দেবে কিনা, তা নিয়েই জলঘোলা। বিতর্ক। শুরু থেকেই আপত্তি তোলে মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর। কোথায় আপত্তি তাঁদের? এপিডিআরের দাবি, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের মতো জমি আন্দোলন ঠেকাতে দমনপীড়ন চালিয়েছিল তৎকালীন শাসকদল বামফ্রন্ট।
মানবাধিকার সংস্থাটি দাবি তোলে, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের জন্য আগে ক্ষমা চাইতে হবে বিমান বসুদের। তারপরেই ভাঙড়ের মিছিলে হাঁটতে পারবেন তাঁরা। কিন্তু, বিমান বসুরা সেই দাবি উড়িয়ে দেন।
advertisement
বারবার আপত্তি সত্ত্বেও কেন মিছিলে যোগ দিল বামেরা? ভাঙড়ের আন্দোলনকে হাতিয়ার করেই ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে বামফ্রন্ট। তাই পায়ের তলার জমি খুঁজতেই আপত্তিকে থোড়াই কেয়ার। বিমান বসুর কটাক্ষ ফিরিয়ে দিয়েছে এপিডিআর।
কর্মসূচিতে বামনেতাদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তোলেন ভাঙড়ের বাসিন্দাদের একাংশ। আপত্তি জানান যাদবপুরের পড়ুয়ারাও। এই বিতর্ক টানাপোড়েনের মধ্যেই ধর্মতলায় চলে বিক্ষোভ। সবমিলিয়ে, ভাঙড়ের প্রতিবাদ মিছিলেই ফুটে উঠল ভিন্ন সুর।
