পাটিসাপটা,সরুচাকলি, সিদ্ধ পিঠে,পায়েশ আরও কত কি! জামালপুরে মোট ৫৪০ টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পিঠে পুলি উৎসব পালন করা হলো। কচিকাচাদের স্কুলমুখী করতে ও বাংলার কৃষ্টি এবং সংস্কৃতির সাথে একটু আলাপ করিয়ে দিতে এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে ব্লক প্রশাসন।
advertisement
পৌষ পার্বনে পিঠে পুলি সকলের বাড়িতেই হয়। সেই ধারা বজায় রেখে আজ জামালপুর ব্লকের প্রতিটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পিঠে ও পায়েস করা হলো। বাচ্চারা একটু অন্যরকম খাবার পেয়ে আপ্লুত। বাংলার সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার এবং প্রাক প্রাথমিকের কচি কাঁচাদের স্কুলমুখী করতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের সব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আজ পিঠে পুলি ও পায়েস বানানো হয়।
আগে পৌষ মাস পড়লেই ঢেঁকিতে চাল কুটে গুঁড়ি তৈরি করা হতো। আর তা দিয়ে বানানো হতো নানা পিঠে পুলি। সেই সংস্কৃতি আজ হারিয়ে যাওয়ার মুখে। সেই রীতি টিকিয়ে রাখতে এবং একদিন বাচ্চাদের একটু অন্যরকম খাবারের স্বাদ দিতে ব্লকের প্রতিটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এই উৎসব পালন করা হলো। আজকের এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো একদিকে বাংলার কৃষ্টি সংস্কৃতির সঙ্গে শিশুদের পরিচয় করানো, সেইসঙ্গে তাদের মন থেকে স্কুলে যাওয়ার ভীতি দূর করা।
এদিন সকাল থেকেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে ছিল উৎসবের মেজাজ। সহযোগিতার জন্য ডাকা হয়েছিল শিশুদের মা কাকিমাদের। ভোর থেকে হাসিমুখে নানান পিঠে গড়ে দিলেন তাঁরা। শিশুরা সেসব পিঠে খেল আনন্দের সঙ্গে, পেট ভরে। জামালপুরের বিডিও পার্থসারথী দে বলেন, পৌষ পার্বনের রীতি সম্পর্কে শিশুদের পরিচয় করাতেই এই উদ্যোগ। সেই সঙ্গে শিশুরা গতানুগতিক খাবারের বাইরে একটু অন্যরকম খাবারের স্বাদ নিলো। এই কাজে এলাকার অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই।
