আরও পড়ুন: ১২০ কিলোমিটার ক্ষমতাসম্পন্ন পিনাকা লং রেঞ্জ গাইডেড রকেটের সফল প্রথম পরীক্ষা
এদিন শান্তিপুর নতুনহাট শান্তিপুর স্টেশন শান্তিপুর ডাকঘর মোর এবং শান্তিপুর বড় বাজারে যে সমস্ত নৈশ প্রহরীরা রাতের অন্ধকারে শহরকে এবং বাজারগুলিকে নিরাপত্তা দিয়ে চলেছেন তাদের সঙ্গেই নতুন বছরের আনন্দ ভাগ করে নিলেন বর্ষবরণের রাতেই। এক্ষেত্রে শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী জানান, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই তিনি এই ৩১ ডিসেম্বর মাঝরাতে এই সমস্ত নৈশ প্রহরীদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদেরকে শীতবস্ত্র তুলে দেন। মূলত এই মানুষগুলোর সঙ্গে দেখা করা তাদের অভাব অভিযোগ শোনা এবং তাদের সঙ্গে নতুন বছরের আনন্দ ভাগ করে নিতে তিনি এই দিনটিকে বেছে নেন। সেই মতন কোনও রকম প্রচার ছাড়া হঠাৎই তিনি তাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের অভাব অভিযোগ শুনেন।
advertisement
এদিনও তার একই পরিকল্পনা ছিল এবং সেই মতো সে সমস্ত মানুষদের সঙ্গে দেখা করে তাদেরকে উষ্ণঅভ্যর্থনা জানানো হয় শীতবস্ত্র বিতরণের মধ্যে দিয়ে। যদিও ইদানিং শান্তিপুর শহরে একাধিক চুরির ঘটনা বেড়ে চলার প্রসঙ্গে নৈশ প্রহরীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিধায়ক জানান চুরির ঘটনা যেরকম বেড়েছে সেরকম প্রশাসনও তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে। আর নৈশ প্রহরীরাও চেষ্টা করে যাতে এরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে প্রশাসনের উপর আস্থা রাখুন যারা এই সমস্ত চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের শাস্তি হবে।
