সভা থেকে সায়নী ঘোষ বলেন, বিরোধীদের একবারে মাঠের বাইরে বের করে দেওয়ার সময় এসেছে। তাঁর বক্তব্যে বিজেপির ধর্মভিত্তিক রাজনীতির কড়া সমালোচনা উঠে আসে। চাঁচাছোলা ভাষায় তিনি বলেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা কিংবা মানুষের আবেগকে ব্যবহার করে ‘খেলা’ করা কোনও রাজনৈতিক দলের কাজ হতে পারে না। তাঁর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী একা খেলবেন তা তো হবে না। খেলা তো আপনাদেরকে খেলতে হবে। এবার একবারে মাঠের বাইরে বের করে দিতে হবে বিরোধীদেরকে।”
advertisement
সায়নী ঘোষ আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। কে হিন্দু, কে মুসলমান, কে শিখ বা খ্রিস্টান—এই পরিচয়ের ভিত্তিতে রাজনীতি করা সরকারের বা রাজনৈতিক দলের কাজ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ধর্মকে হাতিয়ার করে মানুষের আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলাকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় নিন্দা করেন। ‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মধ্যে কোনও ভেদাভেদ নেই’, মমতাকে সামনে রেখেই কর্মীদের বুঝিয়ে দিলেন সায়নী ঘোষ।
মঞ্চ থেকে দেওয়া এই বক্তব্যে রাজনৈতিক লড়াইয়ে মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণের ডাক এবং ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে তৃণমূলের অবস্থানই স্পষ্ট করে তুলেছেন সায়নী ঘোষ।
