সোমবার বিকালে মৃত্যু হয় তাপসীর। তাঁর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী রুবেল দাসকে গ্রেফতার করেছে অশোকনগর থানার পুলিশ। তাপসীর পরিবারের দাবি, বিয়ের পরেই গেঞ্জি কারখানার কর্মী স্বামী রুবেলের পরকীয়ার কথা জেনে ফেলেছিলেন তাপসী (২৩)। তারপর থেকে সেই বিষয়ে প্রায়শই অশান্তি হত স্বামী-স্ত্রী'র মধ্যে। দোলের দিনও রঙ খেলার পর ফের স্বামী-স্ত্রী'র মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই অশান্তি চরমে ওঠে। দাবি, সেই সময় অভিযুক্ত রুবেল তার তাপসীকে প্রচণ্ড মারধর করেন। তার জেরেই তাঁদের মেয়ের এই মর্মান্তিক পরিণতি। এমনকি মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাপসীকে ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
advertisement
মৃতার পরিবার জানিয়েছে, স্থানীয়দের কাছ থেকে সোমবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ তাঁরা জানতে পারেন তাপসীকে হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খবর পেয়েই তাঁরা হাসপাতালে যান। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয় তাপসীর। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাপসীর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। মঙ্গলবার সকালে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন তাপসীর পরিজনেরা। অশোকনগর থানার পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী রুবেলকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
