অভিষেকের এই হুঙ্কারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবশ্য তৃণমূল শীর্ষ নেতাকে জবাব দিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক তথা আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি৷ অভিষেককে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বরং আইএসএফ বিধায়কের হুঁশিয়ারি, শুধু ভাঙড় নয়, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার একাধিক কেন্দ্রে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর দলের৷
বারুইপুরের সভা থেকে এ দিন অভিষেক বলেছিলেন, ‘আমি বাংলার মানুষকে কথা দিয়েছি তৃণমূলের আসন সংখ্যা এবং ভোট শতাংশ ২০২১-এর তুলনায় ছাব্বিশে বাড়বে৷ ২০২১-এ জিতেছিলাম ২১৪, এবার একটা হলেও বেশি জিততে হবে৷ সেই একটা আসন যেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা থেকে হবে৷ এবার ভাঙড়ও আমাদের জিততে হবে৷ এই জেলায় ৩১-এ ৩১ করতে হবে৷’
advertisement
ভাঙড় নিয়ে অভিষেকের এই নির্দেশের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে নওশাদ বলেন, ‘দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভোকাল টনিক দিয়েছেন। ৩১-এ ৩১ দিবাস্বপ্ন ছাড়া কিছু নয়। দুই ২৪ পরগণায় আইএসএফ সংগঠন কতটা মজবুত সেটা তৃণমূল ভালো করে জানে। ভাঙড় সহ আমরা একাধিক আসনে জয়লাভ করব।’
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাম এবং কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল আইএসএফ৷ গোটা রাজ্যে সেই জোট মুখ থুবড়ে পড়লেও ভাঙড়ে জয়ী হয়ে জোটের মুখরক্ষা করেছিলেন নওশাদ৷ এবার সেই ভাঙড় পুনরুদ্ধা করতে মরিয়া তৃণমূল৷ ফলে ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে রাজ্যের যে কেন্দ্রগুলি নজরে থাকবে, তার মধ্যে ভাঙড় অবশ্যই অন্যতম৷
