বুধবার সিঙ্গুরের সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন , ” সিঙ্গুর আমার ফেভারিট জায়গা। ২০০৬-২০০৮ এখানে কাটিয়েছি। রাস্তায় কাটিয়েছি। বাড়ি থেকে কেউ মুড়ি, নারকেল নাড়ু, সবজি নিয়ে এসেছে, যারা ওখানে ধরনা দিত, তাঁদের জন্য। ২৬ দিন অনশন করেছি সিঙ্গুরের জন্য। যারা এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, আমি তাঁদের সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা আমাদের প্রেরণা।”
advertisement
বুধবার হুগলির সিঙ্গুর থেকে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানেরও উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন ঘাটালের তিন বারের সাংসদ-অভিনেতা দেব, জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা, সাংসদ-অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেব বলেন, “দিদি যে কাজটা করলেন এটা কোনও সোজা ব্যাপার নয়। আমি প্রথমবার সাংসদ হিসাবে শপথ নেওয়ার সময় ঘাটাল নিয়ে বলেছিলাম। আমি দিল্লিতে গিয়েছি। কিন্তু আমাদের কথা রাখেনি কেউ। দিদি কথা দিয়েছিলেন ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান করবেন। কেউ কথা রাখেননি, দিদি কথা রেখেছেন” মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ঘাটালবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি হলেও কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কারণেই এতদিন প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি। তাঁর ঘোষণা, কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়াই রাজ্য সরকার নিজেদের ফান্ড থেকে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রাথমিকভাবে ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ২০২৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার সময় ধার্য করা হয়েছে। ঘাটালের মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। প্রকল্পের বাস্তবায়নে উপকৃত হবেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৭টি ব্লক।
