এ দিন গঙ্গাসাগরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মুখে বলি না কাজে করি৷ এখানকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল৷ গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করে আজকে কাজের দায়িত্ব দিয়ে দেওয়া হল এল অ্যান্ড টি-কে৷ ১৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেতু তৈরি করা হবে৷ আগামী দু তিন বছরের মধ্যেই এই সেতু তৈরি হয়ে যাবে৷ আমরা অনেক বার কেন্দ্রের কাছে অনুরোধ করেছি যাতে গঙ্গাসাগরে একটা সেতু তৈরি করে দেওয়া যায়৷ কেন্দ্র যখন দেয়নি তখন ভিক্ষে চাওয়ার লোক আমরা নই৷’
advertisement
যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এই শিলান্যাস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী৷ তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার এই সেতু নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে কোনও অনুমতিই নেয়নি৷ বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, মুড়িগঙ্গা উপর দিয়ে যে জায়গায় এই সেতু নির্মাণ করা হবে সেটি জাতীয় জলপথের অধীনে পড়ে৷ তা সত্ত্বেও কেন্দ্রের থেকে সেতু নির্মাণের জন্য কোনও অনুমতি অথবা যোগাযোগই করেনি রাজ্য৷
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালের সঙ্গে কথা বলেছি৷ জাতীয় জলপথের উপরে রাজ্য সরকার এই সেতু নির্মাণ করার জন্য কোনও এনওসি চায়নি৷ সেতুর অ্যাপ্রোচ রোডের জন্য কোনও জমি অধিগ্রহণ হয়নি৷ ভূমি পরীক্ষা হয়নি৷ টেন্ডারের বিজ্ঞপ্তি কোনও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি৷ দেউচা পাচামিতে এক লক্ষ লোকের চাকরি, তাজপুরের সমুদ্র বন্দরের মতো ভোটের আগে এটাও একটা ধাপ্পা৷’
যদিও শুভেন্দুর এই অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ৷ তাঁর জবাব, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ঐতিহাসিক সূচনা করেছেন, বিজেপি বাংলা বিরোধী, জনবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গিতে সহ্য করতে পারছে না৷ তাই এর অনুমতি নেই, ওর অনুমতি নেই এসব বলছে৷’
