সামনেই লোকসভা নির্বাচন। আর লোকসভা নির্বাচনের আগেকী দাবিরয়েছেএই গ্রামের শিল্পীদের,দেখে নেওয়া যাক শিল্পীরা কী বলছেন। গ্রামের শিল্পী টিনামণি ভাস্কর, গৌতম ভাস্কর, জয়দেব ভাস্কর, টোটন সূত্রধর বলেন, তাঁরা সমস্ত রকম সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। বর্তমানে তাদের জিনিসের চাহিদা আরও বেড়েছে। তারা বেশ স্বাচ্ছন্দে জীবন যাপন করছেন। আগের থেকে এখন মেলার সংখ্যাও বেড়েছে যার ফলে বেশ কিছু টাকা বেশি উপার্জন করেন তারা। তবে এই শিল্পীদের কথায় , গ্রামের মধ্যে রাস্তায় এখনও কোনও আলো নেই। যে কারণে সন্ধ্যের পর গ্রাম জুড়ে থাকে শুধু অন্ধকার। পর্যটকেরা এলে তাঁদেরও অন্ধকারে শিল্পীদের কাজকর্ম ঘুরে দেখতে অসুবিধা হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: অভাবকে সঙ্গে নিয়েই স্বপ্ন বুনছেন যুবক
এছাড়াও গ্রামে প্রবেশ করার রাস্তা বেশ খানিকটা সরু। তাই বড় গাড়ি নিয়ে গ্রামের মধ্যে কেউ প্রবেশ করতে পারে না। এবং জলেরও বেশ খানিকটা সমস্যা রয়েছে বলে জানান গ্রামবাসী সহ শিল্পীরা। শিল্পীরা বলেন, যদি রাস্তাটা আরও একটু চওড়া করে দেওয়া হয় এবং আলো ও জলের সমস্যার দিকে নজর দেওয়া হয়। তাহলে খুবই ভালো হয়।কয়েকশো বছর ধরেই এই পুতুল তৈরি হয় বর্ধমানের নতুন গ্রামে। রথের মেলা, রাসযাত্রা, জয়দেবের মেলা সহ সব মেলাতেই নতুনগ্রামের বিভিন্ন কাঠের পুতুলের চাহিদা বরাবরের। চাহিদা বেড়েছে মঞ্জুষা, বিশ্ববাংলার স্টলে।
সোস্যাল মিডিয়ার হাত ধরে বিশ্বজোড়া বাজার পেয়েছে নতুনগ্রাম। রাজ্য দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অর্ডার আসে অন লাইনে। চাহিদা বাড়ায় বেড়েছে অভিনবত্ব। কাঠের পেঁচা জায়গা করে নিচ্ছে জানালার পর্দা, ঘড়ি, শো পিসে। তবে পেঁচা ছাড়াও এখন তৈরি হয় কাঠের রাধাকৃষ্ণ, গৌড় নিতাই, জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা, বর-কনে প্রভৃতি।
বনোয়ারীলাল চৌধুরী





