ইতিহাস বলছে, কানাডিয়ান লেখক এলান মরিনিসের একটি বই থেকে ত্রিবেণী কুম্ভের কথা জানা যায়। এছাড়াও পুরাণে ত্রিবেণীর নাম পাওয়া গেছে। স্কন্দপুরাণ অনুযায়ী কুশদ্বীপের রাজা প্রিয়বন্ত’র মোট সাতজন পুত্র ছিলেন, তারা হলেন অগ্নিত্র, মেধাতিথি, বপুস্মান, জ্যোতিষ্মান, দ্যূতিষ্মান, সবন ও ভব্য। ত্রিবেণী ধামসংলগ্ন এই স্থানে তারা সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সংলগ্ন সাতটি গ্রামে। যেগুলি হল, বাসুদেবপুর, বাঁশবেড়িয়া, নিত্যানন্দপুর, কৃষ্ণপুর, দেবানন্দপুর, শিবপুর ও বলদঘাটিতে তাদের আশ্রম তৈরী করেছিলেন। তাই এর নাম হয় সপ্তগ্রাম। সেই সপ্তগ্রাম বানিজ্য বন্দর থাকাকালীন এই স্থানের জনপ্রিয়তা বাড়ে। যদিও পরবর্তীকালে বিদেশী আক্রমণে এর মাহাত্ম্য কমে যায়। কিন্তু মাঘ সংক্রান্তিতে বহু মানুষ ত্রিবেণীতে স্নান করেন। সেই সূত্র ধরে ত্রিবেণী অনুকুম্ভের জন্ম হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: কুম্ভ স্নানে উপচে পড়ছে ভিড়, বাংলার ত্রিবেণীকে দেখে নিন ছবির এক এক পাতায়, চোখ জুড়িয়ে যাবে
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নাগা সাধু সন্ন্যাসীদের উপস্থিতি সেই কুম্ভকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। আজ সকালে সাধুদের নগর পরিক্রমা তারপর গঙ্গার ঘাটে পূন্যস্নান হয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে পূন্যার্থীদের ভিড় জমে। যারা প্রয়াগ মহাকুম্ভে যেতে পারেননি তারা বা গিয়ে ফিরে এসেছেন, তারা অনেকেই ত্রিবেণী কুম্ভে পূন্যস্নান করেন। আর হাজার হাজার মানুষের ভিড় সামলাতে পুলিশ স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হয়। স্পিড বোটে গঙ্গা বক্ষে নজরদারী, বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের। স্নান করতে নেমে যাতে কেউ ভেসে না যায় তার জন্য গঙ্গার ঘাটে নেট দেওয়া হয়। টিউব লাইফ জ্যাকেট নিয়ে বিপর্যক মোকাবিলা বাহিনীর কর্মিরা উপস্থিত থাকে। গঙ্গার ঘাটে একসঙ্গে যাতে পূন্যার্থীরা ঘাটে না নেমে পরেন তার জন্য বাঁশের গেট করা হয় ঘাটের প্রবেশ পথে।
রাহী হালদার





