কালিগঞ্জ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আগেই শোনা গিয়েছিল৷ এ দিন সরকারি ভাবে উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী হিসেবে আলিফা আহমেদের নাম ঘোষণা করে দিল তৃণমূল৷ বাবার শূন্যস্থান পূরণ করে তিনিই বিধানসভায় পা রাখবেন, এ বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী আলিফা নিজেও৷
advertisement
বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে প্রবেশ বিটেক ইঞ্জিনিয়ার আলিফা আহমেদের। ২০০৩ সালে কৃষ্ণনগরের হোলি ফ্যামিলি গার্লস হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ২০০৫ সালে একই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি দূর্গাপুরের বিসিইটি-থেকে ২০০৯ সালে বিটেক ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পূর্ণ করেন তিনি। ২০০৯ সালে টিসিএস-এই চাকরিতে যোগ দেন আলিফা৷
২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে আলিফা আহমেদ নদিয়া জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তবে শেষ পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও এলাকায় তাঁর জনসংযোগ ছিল। বাবার মৃত্যুর পর ধরেই নেওয়া হয়েছিল তাঁকেই প্রার্থী করতে পারে দল। সেই মতো নিয়মিত জনসংযোগ করছিলেন তিনি।
প্রার্থী হওয়ার পর এ দিনই কলকাতা থেকে কালিগঞ্জে ফিরেছেন আলিফা৷ তিনি বলেন, ‘প্রথমেই মুখ্যমন্ত্রী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাকে নির্বাচিত করার জন্য। আগে থেকে প্রস্তুত ছিলাম না। আমি ছোট থেকেই রাজনৈতিক পরিবারে বড় হয়েছি। রাজনীতির হাতেখড়ি বাবার থেকেই। ২০১১ সাল থেকে রাজনীতির সঙ্গে আমি যুক্ত। ২০২১ সালে বাবার নির্বাচনী কাজকর্ম পরিচালনার ভারও আমার উপরেই ছিল৷ বাবার করা উন্নয়নকে, দিদির উন্নয়নকে সামনে রেখে লড়তে চাই।’
আলিফার বিশ্বাস, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের থেকেও এবার কালিগঞ্জে বেশি ব্যবধানে জয়ী হবেন তিনি৷ প্রসঙ্গত ২০২১ সালে কালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪৭ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন নসিরুদ্দিন আহমেদ৷
