বেস ক্যাম্পে ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৪০ কিলোমিটার গতিবেগ রয়েছে হাওয়ার। সেখানে তাপমাত্রা রয়েছে মাইনাস ৪০ ডিগ্রির থেকে মাইনাস ৫৫ ডিগ্রির আশপাশে। যত উপরে উঠা হবে, তত তাপমাত্রা আরও কমবে। অক্সিজেনর মাত্রাও অনেকটা কমে যাবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যেকেরই ঠান্ডায় নাক গলা জ্বলে যাচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে মাকালু পর্বত অভিযানের রুট খোঁজার কাজ চলবে। সুইজারল্যান্ড থেকে আমরা আবহাওয়ার রিপোর্ট নিচ্ছি। দশ দিন মত আবহাওয়া ভাল থাকলেই আমরা সামিট শেষ করব। শীতকালে বেস ক্যাম্পে পৌঁছতেই কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে।

advertisement

আরও পড়ুন: হাজার হাজার মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা! রামনগরে পানীয় জলের ট্যাঙ্কে বিষাক্ত পাউডার, এলাকায় চরম আতঙ্ক

শুধু মাত্র আট থেকে ন’ঘন্টা সময় ধরে পাথরের উপর লাফিয়ে বেস ক্যাম্প পৌঁছতে হয়েছে। এত শক্ত বরফ সেখানে লোহার কাঁটাও আটকায় না। একটু অসাবধানতা হলেই বরফে স্লিপ কেটে খাদে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাকালু বেস ক্যাম্প গরম কালেও অনেকটাই কঠিন। তাই পর্যটকরাও সেভাবে আসে না এখানে। সেই জায়গায় আমরা শীতকালে মাকালু অভিযান করতে এসেছি। দুজন কুক নিয়ে মোট সাতজন আমরা মাকালু অভিযানের টিমে রয়েছি। শানু শেরপার তত্ত্বাবধানে এই অভিযান করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মাকালু অভিযানে চারটে ক্যাম্প করে অভিযান শেষ হয়।

advertisement

আরও পড়ুন: ‘রাখে হরি মারে কে!’ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা মন্দিরের মাথায় উঠল গাড়ি, যমের মুখ থেকে ফিরলেন চালক

আমরা চেষ্টা করব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সামিট করে নেমে আসার। অক্সিজেনের অভাব তো থাকবেই। কারণ বায়ুমন্ডলের ওপরে আমরা চলে আসছি। আমাদের বেস ক্যাম্প ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় রয়েছে। মাকালুর মোট উচ্চতা ২৮ হাজার ফুটের কাছাকাছি। বেস ক্যাম্পে একমাস থাকা খাওয়ার প্রস্তুতি আমরা নিয়ে এসেছি। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াইয়ের পাশাপাশি অর্থনৈতিক লড়াইও লড়ছি আমি। এই সামিটে ২৫ লক্ষ টাকা খরচ রয়েছে। এজেন্সিকে মাকালু অভিযানের দরুন নয় লক্ষ টাকা দিয়েছি। পুরোটাই লোন নিয়ে এই অভিযান করছি।

advertisement