২০০৯ সালে ভক্তের দেওয়া মোটর সাইকেলটা নিজের মত করে সাজিয়েছিলেন। ত্যাগের প্রতীক গেরুয়া রঙে মুড়ে সনাতনী তীর্থস্থান ভ্রমণই ছিল মূল উদ্দেশ। সেই গাড়ি নিয়েই প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ থেকে ত্রিবেণীর ‘মিনিকুম্ভে’ হাজির বছর পঞ্চান্নোর জমাতিয়া মোহন্ত ছোটুগিরি নাগাবাবা। ত্রিবেণীর পুণ্যভূমিতে কৌতূহলী জনতার নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে চলেছেন ওই নাগা সন্ন্যাসী ‘বুলেট বাবা’। জটায় সোনার আংটি। গায়ে যৎসামান্য বসন। ভক্তদের আশীর্বাদ দিচ্ছেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলছেন বুলেট বাবা। গুজরাটের নম্বরের ওই বাইকে লাগানো অতিরিক্ত আলো ও ডিকি (বক্স)। সামনে ও পাশের বক্সগুলিতে হিন্দিতে লেখা, ‘আবাহন আখাড়া, জমাতিয়া মোহন্ত’। পরিত্যক্ত উদ্বাস্তু শিবিরে ওই বাইকই এখন অনেকের কাছে মূল আকর্ষণ।
advertisement
“আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন”
তিনি বলেন, “প্রথম বার ত্রিবেণীতে এলাম। যে স্থানেই যাই মানুষ ঘিরে ধরেন। ভালই লাগে।” দীর্ঘ প্রায় ৮০০ কিমি পথ মোটর সাইকেলে একটানা চালিয়ে তিনি এসেছেন ত্রিবেণীতে। তার এই রাস্তা পুরোটা অতিক্রম করতে সময় লেগেছে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা। শুধুমাত্র দিনের বেলাতেই তিনি বাইক চালাতেন। রাতের বেলায় সূর্য ডোবার লগ্নে কোনও মোট বা আশ্রমে বিশ্রাম নিতেন। এভাবেই এখান থেকে কুম্ভ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি আবারও রওনা দেবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রয়াগরাজের কুম্ভ তিনি দেখেছেন এরপর বাংলার কুম্ভ তে তিনি এসেছেন, দুই কুম্ভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন যেমন প্রয়াগের কুম্ভতে ভাল ব্যবস্থাপনা ছিল ঠিক তেমনি এখানেও রয়েছে যথাযথ ভাল ব্যবস্থা। সঠিক সময়ে সাধুদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা। তাদের থাকার জায়গা ও সব ধরনের ব্যবস্থা করে রেখেছে বাংলার সরকার। তাই একেবারে বাংলার সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে শোনা গেল নাগা সাধু বুলেট বাবাকে।
রাহী হালদার





