গঙ্গাসাগরে কপিলমুনির মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতি প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরতে এই প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। প্রতি বছর গঙ্গাসাগর মেলায় অন্য রাজ্য তথা দেশ-বিদেশ থেকে বহু পুর্ণ্যার্থীরা আসেন। অনেক পুণ্যার্থীরা গঙ্গাসাগর মেলায় এলেও তাঁরা রাজ্যের বিখ্যাত সাতটি মন্দির দর্শনের সুযোগ পান না। সেজন্য পুণ্যার্থীদের কথা মাথায় রেখে গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে অস্থায়ী কাঠামোর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে রাজ্যের ওই সাতটি ঐতিহ্যবাহী মন্দিরকে। চাইলে পুণ্যার্থীরা সেখান থেকেই পুজো দিতে পারবেন।

advertisement

আরও পড়ুন: পৌষে বিশেষ পুজো, মেলা! ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়, জানুন ইছামতির তীরে ৩৫০ বছরের পুরনো ‘জাগ্রত’ ডাকাত কালী মন্দিরের অজানা ইতিহাস

গঙ্গাসাগর মেলায় দেশ-বিদেশ থেকে আসা পুণ্যার্থীদের মধ্যে অনেকেই বাংলার ঐতিহ্যবাহী মন্দির, তীর্থস্থানগুলি দর্শনের পরিকল্পনা করেন। কিন্তু সময়ের অভাবে ও যাতায়াতের অসুবিধার জন্য অনেকের সেই ইচ্ছা পূরণ হয় না।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

পূণ্যার্থীদের সেই ইচ্ছা পূরণ করতেই এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন মেলা চত্বরেই বাংলার ঐতিহ্যমণ্ডিত মন্দির ও তীর্থস্থানগুলি দর্শন করানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা ঘুরে দেখেছেন এই জায়গা, ফলে খুশি সকলেই। তাহলে এবার গঙ্গাসাগর ‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’-এর পাশাপাশি হতে চলেছে ‘এক তীর্থে সাত তীর্থক্ষেত্র দর্শন’।

advertisement