হুগলির জাঙ্গীপাড়ার রহিমপুরের বাসিন্দা অশীতিপর মনীন্দ্র পার্টি কমরেডদের কাছে মণী দা নামেই পরিচিত। দীর্ঘ প্রায় ৬০ বছরের পার্টি মেম্বার। জাঙ্গীপাড়া থেকে ৩০ বছরের বিধায়ক ছিলেন। প্রাক্তন স্কুল শিক্ষক মণীন্দ্র বাবু এখন চলতে ফিরতে সমস্যা হয়। তবে দলের কর্মসূচী বা সম্মেলন থাকলে তিনি পৌঁছে যান। বয়সের জন্য কানে কিছুটা কম শোনেন তবে দল অন্ত প্রাণ।
advertisement
আরও পড়ুন: হাইওয়েতে ধেয়ে এল ‘ইভটিজার’দের গাড়ি,সজোরে ধাক্কা…অকালে চলে গেল চন্দননগরের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্ষিয়ান নেতা বলেন, “আমরা যেভাবে দল করেছি এখন সেসব নেই। তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা সেইভাবে দলকে ভালবাসে না। আমার এই বয়সে দল করাই অনেকেই নিষেধ করে। ছেলেমেয়রা বলে যেওনা, আমি শুনিনা। যেকটা দিন বেঁচে আছি সিপিআইএমই করব। পার্টির অবস্থা বলতে আমরা যা চাইছি সেটা হচ্ছে না। আমি ৩০ বছর বিধায়ক ছিলাম। এখন একজনও বিধায়ক নেই, খারাপ লাগলে আর কি করব। সরকার যাবে আসবে। বিরোধীপক্ষের যে ট্রিটমেন্ট সেটা আমরা করতে পারিনা।” তিনি আরও বলেন, ‘আগেকার দিনে কমরেডদের আস্তানা ছিল আমার বাড়ি। বিজয় মোদক, বিনোদ দাস শান্তি দারা আসতেন।’
রাজ্য সম্মেলনে সবথেকে বয়োজ্যেষ্ঠ পার্টি মেম্বারদের দেখে অনেকেই উচ্ছ্বাসিত হয়েছেন। এইরকমই এক সিপিআইএম সদস্য তিনি জানান, ছোটবেলা থেকে সমস্ত দলীয় কর্মসূচিতে মনি দাকে সব সময় দেখে এসেছেন। আজ যখন তার ৯৬ বছর বয়স এই বয়সেও তিনি পার্টির ডাকের চলে এসেছেন রাজ্য সম্মেলনে। এই ধরনের মানুষরাই উদ্বুদ্ধ করে দলের জন্য কাজ করার। কোন স্বার্থ ছাড়াই এত বছর তিনি শুধুমাত্র কমিউনিস্ট হিসেবে পার্টির জন্য জীবন পাত করে দিয়েছেন। এনারাই হলেন আসল ইনস্পিরেশন।
রাহী হালদার





