রাস্তার দুই প্রান্ত ভেঙে গেলে দামোদরের জল ঢুকে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গ্রামবাসীরা।তারা চাইছেন দ্রুত ধস মেরামতির ব্যবস্থা করুক প্রশাসন ।
পলেমপুর থেকে জামালপুরের কালাড়াঘাট পর্যন্ত রাস্তার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ কিলোমিটার । এই রাস্তার একটা বেশিরভাগ অংশ দামোদরের বাঁধের ওপর দিয়ে গিয়েছে। যাত্রী পরিবহনের জন্যে এই সড়ক পথে মিনিবাস ও ট্রেকারও চলাচল করে।এছাড়াও সারা বছরই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে বালি বোঝাই প্রচুর লরি ও ডাম্পার চলাচল করে। দিন রাত ভারি যান চলাচলের কারণে দামোদর লাগোয়া হিজলনা অঞ্চলের এই রাস্তা আগেই বেহাল হয়ে পড়েছিল । তারই মধ্যে কয়েক দিনের একটানা বৃষ্টি ও জলাধাল থেকে জল ছাড়ার কারণে শনিবার দামোদর লাগোয়া হিজলনা অঞ্চলের জাকতা এলাকায় সড়পথের একাংশে বড়সড় ধস নেমেছে।
advertisement
বাসিন্দারা বলছেন,এই ধস ভরা দামোদরের প্রায় কোল পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ফাটল বড় হয়ে জল ঢাকা শুরু হয়ে যাবে। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন,এই রাস্তার একটা বড় অংশে অনেকদিন আগে থেকেই বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে । চলতি বর্ষায় দামোদরের জল বাড়তেই হিজলনার জাকতা এলাকায় সড়ক পথের একাংশ নিয়ে বড় ধস নেমেছে।ধস দামোদরের প্রায় কোল পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। গত বছরও একই জায়গায় ধস নেমেছিল।সেবায় মেরামতি ভালো ভাবে না হওয়ায় একই জায়গায় এই বর্ষাতেও ধস নামলো। দ্রুত ধস মেরামতি না হলে জাকতায় সড়কপথের সবটাই ধসের কবলে চলে যাবে।
এলাকার বাসিন্দারা বলছেন,জাকতায় রাস্তার দুই প্রান্ত ধসের কবলে পড়ে গেলে দমোদরের জল ঢুকে স্থানীয় জাকতা , বাঁদগাছা , হরিপুর ,নতুনগ্রাম জলে ডুবে যাবে। প্রশাসন দ্রুত ধস মেরামতির ব্যবস্থা করুক । রায়না ১ ব্লকের বিডিওঅফিসের এক আধিকারিক 'বলেন, রাস্তার একাংশ নিয়ে ধস নেমেছে বলে খবর পেয়েছি।স্থানীর পঞ্চায়েতকে ধস মেরামতির কাজ দ্রত শুরু করার জন্য বলা হয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।'
