অনেক ক্ষেত্রেই খাবারে ব্যবহৃত রংগুলি সুরক্ষিত নয় বলে অভিযোগ উঠছে। তাই জেলার বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, অন্য খাবারের দোকানগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন ফুড সেফটি আধিকারিকরা। খাবার তৈরির জন্য যে সমস্ত জিনিস ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি সব বিধি সম্মত কিনা, সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হয়েছে। আবার খাবারের দোকান চালাতে যে সমস্ত লাইসেন্স থাকা প্রয়োজন, সেগুলি রয়েছে কিনা, সেই বিষয়েও হয়েছে নজরদারি। যাদের কাছে লাইসেন্স নেই তাদের এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন : ভূতুড়ে কারবার! জীবিত মানুষের নামেই ডেথ সার্টিফিকেট! হাতেনাতে ধরলেন প্রধান
অন্যদিকে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কি আবার বেড়ে যাচ্ছে কাঁচা শাক সবজির দাম? সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখেছেন ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। বিক্রেতারা সুযোগ বুঝে যাতে ক্রেতাদের থেকে বেশি দাম না নেন, সেই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। একইসঙ্গে অনেক সময় ওজন মেশিনে কারচুপি দেখা যায়। তাই বিভিন্ন দোকানে ব্যবহৃত ওজন মেশিনগুলি খতিয়ে দেখা হয়েছে। সঠিকভাবে ওজন মেশিন ব্যবহার করার কথাও জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে।
আরও পড়ুন : লাগতে পারে আরও এক বছর! সময়ে শেষ হচ্ছে না জাতীয় সড়কের সিক্স লেনের কাজ
পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা-পয়সা খরচ করার পরেও যাতে ক্রেতাদের ঠকতে না হয়, সেই বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক হয়েছে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর। অন্যদিকে বাইরে থেকে কেনা খাবারগুলি যাতে স্বাস্থ্যবিধি সম্মত হয়, সেই বিষয়টিও নজরে রয়েছে। যে কারণে রেস্টুরেন্টগুলির পরিছন্নতা থেকে শুরু করে লাইসেন্স, এমনকি স্বাস্থ্যবিধি সম্পন্ন সমস্ত সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা, সেই বিষয়গুলি নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
ক্রেতাদের সুরক্ষায় এই অভিযান নিয়মিত চালানো হবে বলে খবর। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ দেখে খুশি আসানসোল মানুষজন।
নয়ন ঘোষ





