পুজো কমিটিগুলিতে প্রশাসনিক কর্তা ও জেলা তথ্য সংস্কৃতি দফতরের আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন। পুজো মণ্ডপে জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। মিরছোবা উন্নয়ণ সমিতির পুজোতে উপস্থিত ছিলেন জেলার নব নিযুক্ত যুব কংগ্রেস সভাপতি রাসবিহারী হালদার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সন্ধ্যায় সরাসরি এই পুজো উদ্বোধন করেন। অসংখ্য ঢাকের আয়োজনের মাধ্যমে পুজো উদ্বোধন করা হয়।
advertisement
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমান জেলার ২০টি পুজোর ভার্চুয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উদ্যোগে আপ্লুত পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা। তাঁরা বলছেন, কলকাতা থেকে অনেক কম বাজেটের পুজো হয় এখানে। সেই সব পুজোর উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী আমাদের অনেক উৎসাহ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন সে কথা জানতে পেরে আমরা তৎপরতার সঙ্গে মণ্ডপ সজ্জার কাজ সম্পূর্ণ করেছি। এটা আমাদের ভাবনারও বাইরে ছিল। মুখ্যমন্ত্রী এভাবে আমাদের পাশে দাঁড়ানোয় আমরা আপ্লুত।
আরও পড়ুন- মোবাইল চোর ধরলেন কুণাল ঘোষ !
পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাটের শ্রীরামপুরের আমরা সবাই দুর্গামাতা কমিটির পুজো এই বছর ২৫ বছরে পদার্পণ করছে। এবার এই পুজোর থিম আন্দামানের জারোয়া উপজাতির জীবিকা ও বাসস্থান। কালনা থানার পূর্ব সাতগাছিয়া সংহতির পুজোও এবার ২৫ বছরে পড়েছে। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির আদলে এখানে পুজো মণ্ডপ তৈরি হয়েছে। গোয়ারা সর্বজনীন দুর্গাপুজো এবার ৬৪ বছরে পড়েছে। এখানে সাবেকি ধাঁচের প্রতিমার পাশাপাশি কেদারনাথ মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে পুজো মণ্ডপ। এই তিন পুজোর সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বর্ধমান শহরের বেশ কয়েকটি পুজোর সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।বর্ধমানের কেশবগঞ্জ বারোয়ারি দুর্গাপুজো কমিটির এবছরের থিম 'ব্রাত্যজনের সংস্কৃতি'। এই পুজো এ বছর ৬০ বছর পূর্ণ করল। মেমারির ঝিকরা সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির পুজো পঞ্চম বছরে পড়েছে। তাদের থিম 'ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আপন প্রভায়, মর্ত্যে এল মহাদেবী আলোর ধারায়'। বর্ধমান শহরের পাড়াপুকুর সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির এবারের পুজোর থিম জলই জীবন। এই পুজো ৮২ তম বর্ষে পদার্পন করল এ বছর। শক্তিগড় সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির ৭৯ তম বছরে পুজোর থিম 'আর নয় যুদ্ধ, এবার আসুক বুদ্ধ'।মেমারির বাগিলা সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির পুজোর থিম 'দীপাঞ্জলি'। এবছর ৪০২ তম বর্ষে পড়েছে তাদের পুজো। ভাতারের উদয় সঙ্ঘের পুজো ৫৭ বছরের। থিম 'বাঙালিয়ানা'। এগুলি ছাড়াও এদিন মুখ্যমন্ত্রী গলসি শারদ অর্ঘ্য, বর্ধমানের সর্বমিলন সঙ্ঘ, খণ্ডঘোষের তোড়কোনা সর্বজনীন, জামালপুর নেতাজি অ্যাথলেটিক ক্লাব, মাধাবডিহির ছোট বৈনান নন্দী পাড়া দুর্গাপুজো, রায়নার শ্যামসুন্দর বাজার পল্লীশ্রী সুভাষপল্লী সূর্যপল্লি সর্বজনীন, কাটোয়ার জাজিগ্রাম নবোদয় সঙ্ঘ, কাটোয়া মণ্ডলপাড়া সর্বজনীন দুর্গাপুজো ও বুদবুদের সংহতি ক্লাবের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।
