আয়োজকদের দাবি, বাঁকুড়া জেলার ২০০-রও বেশি গ্রাম থেকে মানুষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রশিক্ষিত ধ্যান শিক্ষকদের নেতৃত্বে সমবেত ধ্যান, প্রাণায়াম ও যোগাসনের মাধ্যমে মানসিক স্থিরতা, আত্মসংযম ও সচেতন জীবনের বার্তা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত দ্য আর্ট অফ লিভিং সংস্থার বাঁকুড়া জেলার কো-অর্ডিনেটর অমিত পারিয়াল বলেন, “বর্তমান সময়ে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ একটি বড় সামাজিক সমস্যা হয়ে উঠেছে। নিয়মিত ধ্যানচর্চাই পারে মানুষকে মানসিকভাবে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে।” তাঁর বক্তব্যে দৈনন্দিন জীবনে যোগ ও ধ্যানের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে আসে।
advertisement
ধ্যান কর্মসূচির পাশাপাশি আয়োজন করা হয় একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা। সেখানে যোগ-ধ্যানের শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা, জীবনযাত্রায় এর প্রভাব এবং সুস্থ সমাজ গঠনে সচেতনতার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে আদিবাসী নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি করে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, ভবিষ্যতেও শুশুনিয়ার মতো প্রাকৃতিক পরিবেশে এই ধরনের ধ্যান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে, যাতে আরও বেশি মানুষ মানসিক সুস্থতার বার্তার সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। পাহাড়ঘেরা নৈসর্গিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধ্যান দিবসের এই কর্মসূচি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শান্তি ও ইতিবাচক মানসিকতার আবহ তৈরি করে। মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি যখন সমাজে ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, তখন শুশুনিয়ার এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।





