রজতজয়ন্তী উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে আয়োজন করা হয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। সকাল থেকেই রাধাভবন চত্বরে ছিল রঙিন উৎসবের আমেজ। আড়াইশো থেকে ৩০০ জন প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন । শত শত খুদে শিল্পীর তুলির আঁচড়ে ফুটে ওঠে প্রকৃতি, সমাজ ও কল্পনার নানা রূপ। শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি এক প্রাণবন্ত রূপ নেয়।
advertisement
এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্তরের ওয়েট লিফটিং অ্যাথলিট মুনমুন সামন্ত। তাঁর উপস্থিতি প্রতিযোগীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ জোগায়। শিশুদের শিল্পচর্চায় উৎসাহ দিতে তিনি নিজেই প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। জাতীয় স্তরের একজন ক্রীড়াবিদের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়ে খুদে প্রতিযোগীদের মুখে স্পষ্ট ছিল আনন্দ ও গর্বের ছাপ। ক্যানভাস আর্ট ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গত ২৫ বছর ধরে তারা বাঁকুড়ায় শিশুদের মধ্যে শিল্পচর্চার প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। এই রজতজয়ন্তী আয়োজন সেই দীর্ঘ যাত্রারই এক স্মরণীয় অধ্যায়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিল্পভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল প্রতিভাকে তুলে ধরাই তাঁদের লক্ষ্য।ক্যানভাস আর্ট ইনস্টিটিউটের রজতজয়ন্তী উপলক্ষে বাঁকুড়া শহরে যে শিল্পানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল, তা শিশুদের সৃজনশীলতা ও শিল্পচর্চার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল। শত শত খুদে শিল্পীর অংশগ্রহণ এবং জাতীয় স্তরের ক্রীড়াবিদের উপস্থিতি এই আয়োজনকে স্মরণীয় করে তুলেছে।