বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার উভয়ের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে কী করতে হবে! নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভাড়াটিয়া রাখার সময় বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে লিখিত চুক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। সাধারণত, এই চুক্তি হয় ১১ মাসের জন্য, যার প্রতিলিপি স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে।
৮ বছর পর বাবার রেনকোট পরতে গিয়ে পকেটে হাত, এ কী… যা বেরোল, তা স্বপ্নেও ভাবেননি ছেলে!
advertisement
পুলিশের তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, বাড়িওয়ালাকে অবশ্যই স্থানীয় থানায় গিয়ে একটি “টেনেন্ট ফর্ম” পূরণ করতে হবে। সেই ফর্মের সঙ্গে জমা দিতে হবে – ভাড়াটিয়ার সচিত্র পরিচয়পত্র (যেমন আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বা প্যান কার্ড)। ভাড়াটিয়ার একটি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি। ভাড়া চুক্তির প্রতিলিপি। ভাড়াটিয়া ছাড়াও তাঁর পরিবারের যে সব সদস্য একসঙ্গে থাকবেন, তাঁদের প্রত্যেকের ছবি ও পরিচয়পত্রও।
বিভিন্ন সময়ে তদন্তে উঠে আসা ভাড়া বাড়ির সুযোগ নিয়ে নানা অপরাধমূলক কাজকর্মের থেকে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ও অপরাধ দমনে এই ধরনের তথ্য পুলিশের কাছে থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময়ে অপরাধীরা ভাড়াটিয়া সেজে বিভিন্ন জায়গায় গা ঢাকা দেয় বা অপরাধমূলক কাজ চালায়। সেক্ষেত্রে আগে থেকে তথ্য থানায় থাকলে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে। তবে আপাতত জরুরি ভিত্তিতে বারাসাত ও মধ্যমগ্রাম থানা এলাকায় চালু করা হচ্ছে এই নিয়ম। পরবর্তীতে বারাসাত পুলিশ জেলার সর্বত্রই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছেন এসডিপিও বারাসাত বিদ্যাগর অজিঙ্কা অনন্ত। ফলে এবার থেকে বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করে মেনে চলুন পুলিশের এই নির্দেশ।
Rudra Narayan Roy
