সেই টাকায় স্বনির্ভর হচ্ছে নার্সারি পাড়া। এখন এই গ্রামের ফুল পাড়ি দিচ্ছে অসম, ব্যাঙ্গালুরু সহ একাধিক ভিন রাজ্যে। স্থানীয় বাসিন্দা নৃপেন্দ্র দাস বলেন, “ একসময় অভাবের গ্রাম বলে আমাদের সকলে চিনত। কিন্তু এখন হাল বদলেছে। আমাদের ঘরের মহিলারা স্বনির্ভর গোষ্ঠী গড়ে ঋণ নিচ্ছেন। কেউ ৩ লক্ষ, কেউ ৪ লক্ষ তো আবার কোন গ্রুপ ১০ লক্ষ টাকা ঋণ পাচ্ছে। সেই টাকায় আমরা ফুলের চাষ করছি। এখন গ্রামের সব পরিবারই এই কাজে যুক্ত। সকলেরই কম বেশি আয় হচ্ছে।”
advertisement
আরও পড়ুন: সরকারি দফতরে উলটপুরাণ, বিডিও’র অফিসে ঢুকতে লাগে না অনুমতি! ‘এই’ সাইনবোর্ড দেখে খুশিতে গদগদ মানুষ
বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গল লাগোয়া এই গ্রামে এখন ফুলের সমাহার দেখতে পর্যটকদেরও ভিড় হচ্ছে। গ্রামের অপর বাসিন্দা রঞ্জয় দাস বলেন, আমরা এখন ফুল চাষকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি। এখন আমাদের গ্রামের ফুল অসম ও ব্যাঙ্গালুরু সহ রাজ্যের বাইরে বিভিন্ন যায়গায় যাচ্ছে। রাজ্যের সংলগ্ন কোচবিহার, শিলিগুড়িতে আমাদের ফুলের ভাল চাহিদা। গোটা গ্রাম ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অনেকে এখন আমাদের গ্রামকে ফুলগ্রাম বলেও চেনেন।”
আরও পড়ুন: প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে গেল অনাথ আশ্রমের স্কুল, খুশিতে ডগমগ পড়ুয়ারা! খুলে গেল নতুন স্বপ্নের দরজা
এই এলাকার নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যা তৃণমূল কংগ্রেসের রূপালি দাস শীল। আলিপুরদুয়ার বিধান সভার ১৩০ নম্বর পার্টে পড়েছে এই গ্রাম। পঞ্চায়েত সদস্যা রূপালি দাস শীল বলেন, “ আমাদের সরকারের মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীদের দেওয়া ঋণের টাকায় আমাদের গ্রাম ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এখন শুধু সামনের দিকে যাওয়ার পালা। এখন আর গ্রামে অভাব নেই। নানান জাতের ফুল চাষ হচ্ছে আমাদের গ্রামে। চারা ও ফুল বেঁচেই স্বনির্ভর হচ্ছি আমরা। ”
