বাংলাভাষী বলে তাঁকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল৷ কিন্তু, ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত৷ এরপরেই বাংলাদেশের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে সীমান্ত পার হন সোনালি খাতুন৷ তারপরে, বীরভূমের রামপুরহাটে বাবার বাড়িতে৷
অভিযোগ, দিল্লির রোহিণী বস্তি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছিল সোনালি খাতুনকে৷ গত মে মাসে প্রশাসনের নির্দেশে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছিল সোনালিদের। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে তাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল। এ দিকে সোনালির বাবা ভদু শেখ দাবি করেছিলেন, তাঁর মেয়ের জন্ম বাংলায়। তাঁর বাবা ভাদু শেখের অভিযোগ ছিল, বাংলাভাষী বলেই এমন ঘটনা ঘটেছে তাঁর মেয়ের সঙ্গে৷ পরবর্তীকালে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সোনালি খাতুনকে৷ সেই সময় অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন এবং তাঁর ৮ বছরের সন্তানকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ কেন্দ্রের পক্ষ থেকেও শীর্ষ আদালতকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে, মানবিকতার কথা বিবেচনা করেই সোনালি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে ফেরানো হবে৷
শুধু ফিরিয়ে আনাই নয়, ভারতে আসার পর অন্তঃসত্ত্বা সোনালি এবং তাঁর ছেলের চিকিৎসা যাতে ঠিক মতো হয়, কেন্দ্রকে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ সোনালি খাতুনের দাবি, তিনি ভারতীয় নাগরিক ভদু শেখের কন্যা৷ নির্দেশ দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি পর্যবেক্ষণে জানান, ভদু শেখের নাগরিকত্ব নিয়ে যদি প্রশ্ন না থাকে তাহলে নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী সোনালি এবং সোনালির সন্তানরাও ভারতীয় নাগরিকই হবেন৷
