স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই ৫০ জন আবাসিক পরিবারের পানীয় জলের জন্য ছিল একটি সাবমার্সেবল। দিন ১৫ আগে সেই সাবমার্সেবল চুরি হয়ে গিয়েছে। অভিযোগের তীর সেখানেরই নিরাপত্তারক্ষীদের সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে। সুপারভাইজার ইনচার্জের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি নাকি এলাকার সমস্ত গাছ কেটে বিক্রি করে দিচ্ছেন। একইসঙ্গে ফ্যাক্টরির বিভিন্ন ধাতব যন্ত্রপাতি সেগুলিও রাতের অন্ধকারে সেখান থেকে পাচার করার সঙ্গে যুক্ত এমনটা অভিযোগ করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
advertisement
আরও পড়ুন: বাম আমলের ৩০ বছরের বিধায়ক, অহংকার নেই এতটুকু! কীভাবে কাটাচ্ছেন শেষ জীবন
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এলাকা পরিদর্শন করতে আসেন উপ-পুরপ্রধান, তিনি কথা বলেন ওই ইনচার্জের সঙ্গে, এ বিষয়ে তিনি জানান, গাছ কাটার টেন্ডার পাশ করতে হয় কিন্তু তাদের কাছে কোনরকম টেন্ডারের কিছু জমা পড়েনি। বিনা অনুমতিতেই এলাকার গাছ কাটা হচ্ছে। একইসঙ্গে এলাকার মানুষদের পানীয় জলের যে সমস্যা তৈরি হয়েছে তার সুরাহা করার জন্য তিনি তাদের যথাযথ সাহায্য করবেন।
রাহী হালদার





