মুকুল রায়ের (Mukul Roy) স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতির সঙ্গে অবশ্য রাজনীতির যোগ মানতে রাজি হননি রাজীব। তিনি বলেন, ‘মুকুলদাকে অনেকদিন চিনি। বউদির সঙ্গেও পরিচয় ছিল। অনেক কথা হয়েছে। ওনার অসুস্থতার সময় হাসপাতালে গিয়েছি। আজ এখানে এসেছি তাঁর আত্মার শান্তি কামনায়।’ এদিন অবশ্য রাজনীতি নিয়ে কোনও কথা বলেননি রাজীব। ইঙ্গিতপূর্ণভাবে নিজের নীরবতার ব্যাখ্যা দেন তিনি। বলেন, ‘রাজনীতিতে কখনও কখনও চুপ থাকতে হয়।’
advertisement
করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতায় গত ৬ জুলাই চেন্নাইয়ে মৃত্যু হয় মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের। বৃহস্পতিবার ছিল তাঁর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান। সেখানে হাজির হন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত, সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত নেতামন্ত্রীদের মধ্যে দেখা মেলে রাজীবেরও। যাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই চলছে জোর চর্চা।
এদিন মুকুল রায়ের বাড়িতে রাজীব, সব্যসাচী, সুনীল সিংয়ের উপস্থিতিকে অবশ্য রাজনীতির চশমা দিয়ে দেখতে নারাজ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, ‘পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যে কেউ যেতে পারে। এই সব বিধি নিষেধ সিপিএম আরোপ করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই জুতোতে পা গলিয়েছেন। আমরা সব কিছুতে রাজনীতি খোঁজার বিরুদ্ধে।’
