ইতিমধ্যেই মাইকের মাধ্যমে সতর্কবার্তা প্রচার শুরু হয়েছে নানা এলাকায়। নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল, পাথরপ্রতিমা, সাগর এলাকা থেকে মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নামখানায় হাজার খানেক মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উপকূলের বাঁধের উপর নজর রাখতে বলা হয়েছে সেচ দফতরকে। জেলা প্রশাসনের তরফে ত্রিপল, শুকনো খাবারও মজুত রাখতে বলা হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের(Depression) জেরে টানা বৃষ্টি চলছেই দক্ষিণবঙ্গে। টানা বৃষ্টির সঙ্গে অন্যান্য নদীর মতো হলদি নদীতেও জল বেড়ে চলেছে। ভয়ঙ্কর অবস্থা হলদিয়া টাউনশিপ এলাকার। রীতিমতো জলবন্দী ছবি হলদিয়ার টাউনশিপ অঞ্চল জুড়ে। জলের তোড়ে বোঝার উপায় নেই কোনটা ডাঙা আর কোনটা নদী। জলে ডুবেছে রাস্তাঘাট। এমনকী গাড়িও ডুবে গিয়েছে রাস্তায়। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে বেশিরভাগ এলাকা। মোবাইল পরিষেবাতেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
advertisement
নিম্নচাপের জের। বুধবার রাত থেকেই বৃষ্টিতে ভাসছে গোটা রাজ্য। কখনও কখনও গতি কমলেও থামছে না বৃষ্টি। ফলে কম-বেশি সকলেই ঘরবন্দি। জল যন্ত্রণায় জেরবার কলকাতা (Kolkata)-সহ গোটা বাংলার বহু জায়গার মানুষ। আগামিকালও বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য, এমনই আশঙ্কা আবহাওয়া দফতরের। ইতিমধ্যেই ৬ জেলায় জারি লাল সতর্কতা। কলকাতাই নয়, কার্যত সব জেলার ছবিটাই এক। এক হাঁটু জল সর্বত্র। হলদিয়া টাউনশিপ এলাকা রীতিমতো জলের নিচে। নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় আটকে জল, সেই কারণে এদিন ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
