যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে একাধিক ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে৷ প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় জানা যাচ্ছে, প্রথাগত ট্রেন থেকে দেখার নিরিখে অনেকটাই আলাদা এই বন্দে ভারত স্লিপার৷ পরিষেবার দিক থেকে অনেকটাই বিমান সফরের মতো অভিজ্ঞতার স্বাদ পাবেন এই ট্রেনের যাত্রীরা৷ তবে তার পাশাপাশি, প্রথম সফরের পরেই এমন কিছু ভিডিও সামনে এসেছে, যা চূড়ান্ত লজ্জার৷ প্রথম দিনেই যা অবস্থা বন্দে ভারত স্লিপারের অন্দরমহলের, তা বলার নয়!
advertisement
একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ওমন ঝাঁ চকচকে ট্রেনের ফ্লোরে পড়ে রয়েছে চায়ের ফাঁকা কাপ এবং অন্যান্য প্যাকেট৷ যেখানের কোচের মধ্যেই ডাস্টবিন ইনস্টল করা রয়েছে৷ ওই ভিডিওর ক্যাপশনে ওই ব্যক্তি লিখেছেন, ‘ট্রেন ওয়ার্ল্ড ক্লাস, কিন্তু আমাদের সিভিক সেন্স নয়৷’
অন্য একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, প্যান্ট্রি স্টাফেরা ট্রলিকে করে এনে যাত্রীদের স্ন্যাকস এূবং খাবার বিতরণ করছেন৷ ঠিক যেমনটা ফ্লাইটে কেবিন ক্রু’রা করে থাকেন৷ তাঁদের হাতে গ্লাভস থেকেশুরু করে মাথায় হেয়ার নেট সবই রয়েছে৷ তাঁরা প্রত্যেকেই একটি নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরে রয়েছেন৷ ওই ভিডিওতে যাত্রী বলছেন, ‘আমরা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে যাচ্ছি৷ খাবার সত্যিই খুব ভাল, আর একদম ফ্লাইটের মতো বিতরণও করা হল৷ নতুন বন্দে ভারতএকেবারে অত্যাধুনিক টেকনোলজিতে তৈরি হয়েছে৷’
স্ন্যাকস বক্সের ভিতরে কী আছে?
অন্য একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, স্ন্যাকসে ঝুড়িভাজা, সফট ড্রিঙ্ক, কাপকেক, কচুরি, চিনাবাদামের চিক্কি, কাজু বরফি, আর কেচ আপ রয়েছে৷
খাবারের ভিডিও এখানেই থেমে থাকেনি। ফার্স্ট এসিতে ভ্রমণকারী একজন যাত্রী দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবারের সময় পরিবেশিত খাবারের একটি বিস্তারিত ভিডিও শেয়ার করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘ট্রেনে ওঠার সাথে সাথে আমাদের একটি জলের বোতল এবং দুপুরের খাবার দেওয়া হয়েছিল। প্যাকেজিং উন্নতমানের৷’’ দুপুরের খাবারে ছিল পোলাও, পরোটা, ডাল, আলু ফুলকপি ভাজা এবং আচার, তারপর মিষ্টির জন্য রসগোল্লা এবং মিষ্টি দই।
রাতের খাবারে ছিল আলু ফুলকপি ভাজা, ভাত, মটর পনির, নরম পরোটা, এবং আমের আচার, হলুদ রসগোল্লা এবং দই।
উল্লেখ্য, ট্রেনটি রুটের উপর ভিত্তি করে স্থানীয় খাবার পরিবেশন করবে: গুয়াহাটি থেকে শুরু হওয়া যাত্রায় অসমীয়া খাবার এবং কলকাতা থেকে শুরু হওয়া ট্রেনে বাঙালি খাবার। যেহেতু এটি মূলত একটি রাতের পরিষেবামূলক ট্রেন, তাই রাতের খাবারের পরে সকালের চা দেওয়া হবে।
