বড়দের জন্য এসব রোগ নিরাময়ের অনেক ওষুধ রয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় শিশুদের। সাধারণত চিকিৎসকরা শিশুদের, বিশেষ করে এক বছরের কম বয়সি শিশুদের এসব রোগের ওষুধ দেওয়া এড়িয়ে যান। দিতে হলেও এর পরিমাণও খুবই সীমিত থাকে।
আরও পড়ুন: দুটি ইলিশ মাছের দাম উঠল ১৭ হাজার ২০০ টাকা! ওজন কত কিলো? জানলে তাজ্জব হয়ে যাবেন!
advertisement
তবে ছোট বাচ্চাদের জ্বর বা ফ্লু হলে প্যারাসিটামল বা ক্যালপলের মতো ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে। এগুলো তরল আকারে দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্বে এমন একটি দেশ আছে যারা এখন এই ওষুধের ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তাদের সতর্কবার্তায় বলেছেন যে সে দেশে ক্যালপল, গ্যাভিসকন এবং লেমসিপের মতো ওষুধ কোম্পানির স্টক ফুরিয়ে আসছে। ঘাটতির কারণে কোনও মেডিক্যাল শপে এসব ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় শিশুরা যদি ফ্লুতে আক্রান্ত হয় তাহলে চিকিৎসা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে।
আরও পড়ুন: বিছানার চাদর সরাতেই... থরথর করে কাঁপতে লাগলেন মহিলা! আচমকা গলা ফাটানো চিৎকার! তারপর?
ব্রিটেনের অ্যাসোসিয়েশন ফর ইন্ডিপেন্ডেন্ট মাল্টিপল ফার্মেসির প্রধান নির্বাহী ডাঃ লীলা হ্যানবেকের মতে, দেশের অনেক ফার্মেসি এবং কেমিস্টের স্টকে ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে। এতে রয়েছে লিকুইড প্যারাসিটামল এবং আইবুপ্রোফেন। এই ওষুধগুলি সাধারণত ফ্লু বা জ্বরেই শিশুদের দেওয়া হয়। তাদের ঘাটতি এভাবে বজায় থাকলে ভবিষ্যতে শিশুদের সমস্যা আরও বাড়বে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। ওষুধ না থাকলে চিকিৎসায় বিলম্ব হবে, যার কারণে যে কোনও কিছু ঘটতে পারে।
ব্রিটেনের ফার্মাসিস্টরা এসব ওষুধের বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছেন ইতিমধ্যেই। যাতে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সার্বিক অভাব-অনটনের সম্মুখীন হতে না হয় সেদিকটা খেয়াল রাখা হচ্ছে। তবে এটাও সামনে আসছে যে শুধু শিশুদের ওষুধই নয়, আরও অনেক ওষুধেরই সে দেশে স্টক ফুরিয়ে আসছে, তা সে নাকের স্প্রে হোক বা পেট ব্যথার ওষুধ। দাম বাড়াতে জেনেশুনে ওষুধের সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে নাকি ভারত ও চীন থেকে এসব ওষুধ পাঠানো হয়, সে কারণেই তাদের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে স্পষ্ট জানা যায়নি এখনও। যাই হোক না কেন, চেনা জ্বরের ওষুধের এই ঘাটতি জারি থাকলে সে দেশে শিশুদের চিকিৎসায় অবশ্যই সমস্যা হবে, তা প্রায় নিশ্চিত।
