মার্কিন সংস্থা NOAA-এর স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার–এর মতে, ৫ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে ভূ-চৌম্বকীয় কার্যকলাপ বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে সাধারণত যেখানে দেখা যায় না, এমন তুলনামূলক নিম্ন অক্ষাংশেও নর্দার্ন লাইটস (অরোরা) দেখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যদিও এখনও এই বিষয়ে নিশ্চিভাব কিছু বলা হয়নি।
এই তীব্র কার্যকলাপ রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৭ মিনিট নাগাদ প্রবল আকার নেয়। সেই সময় সানস্পট X8.1 শ্রেণির একটি সৌর ঝড় সৃষ্টি করে। এটি অক্টোবর ২০২৪–এ হওয়া X9.0 সৌর ঝড়ের পর এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ।
advertisement
এই বিস্ফোরণের পর পরই দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আংশিক রেডিও ব্ল্যাকআউট নথিভুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে সূর্য থেকে প্লাজমার একটি বিশাল মেঘ পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে, যাকে বলা হয় করোনাল মাস ইজেকশন (CME)।
SWPC–এর অনুমান অনুযায়ী, এই CME ৫ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে পুরোপুরি আঘাত করবে না, তবে হালকা সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। যদি তা ঘটে, তাহলে সূর্য থেকে আসা চার্জযুক্ত কণাগুলি পৃথিবীর চৌম্বকীয় মেরুর দিকে এগোবে এবং আকাশে উজ্জ্বল ও রঙিন অরোরা দেখা যেতে পারে।
আরও পড়ুন- কোভিডে নিঃস্ব হওয়ার পরও ঘুরে দাঁড়ান জীবনে! অডি কিনে অটোচালক বাবাকে চমকে দিলেন দু’ভাই
বিজ্ঞানীদের মতে, সানস্পট হল সূর্যের পৃষ্ঠে থাকা চৌম্বকীয় অঞ্চল। সূর্য প্রতি ১১ বছর অন্তর তার সর্বাধিক সক্রিয় পর্যায়ে, অর্থাৎ সোলার ম্যাক্সিমাম–এ পৌঁছয়। নাসা নিশ্চিত করেছে, ২০২৪ সাল থেকে এই পর্যায় শুরু হয়েছে এবং ২০২৬ সাল পর্যন্ত তীব্র মহাকাশীয় আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।
