ফুকেটে আটকে রয়েছেন ৩০ থেকে ৩৫ জন ভারতীয় পর্যটক। দেশে ফিরতে পারছেন না তাঁরা। বিমানে সাধারণত দিল্লি থেকে ফুকেট যেতে সময় লাগে মাত্র ৫ ঘণ্টা। কিন্তু চারদিন কেটে গিয়েছে। এখনও তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারেননি। আটকে পড়া যাত্রীদের অভিযোগ, এর কারণ এয়ার ইন্ডিয়ার চূড়ান্ত গাফিলতি।
advertisement
টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৬ নভেম্বর এয়ার ইন্ডিয়ার এআই ৩৭৭ ফ্লাইটে মোট ১৪২ জন যাত্রীর ফুকেট থেকে দিল্লি আসার কথা ছিল। বিমানটি স্থানীয় সময় বিকাল ৫.৫০ মিনিটে বিমানবন্দর থেকে ওড়ে। কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বিমানবন্দরে ফিরে আসতে বাধ্য হয়।
এরপর প্রযুক্তিগত ত্রুটি মেরামত করা হয়। ফের ওড়ার জন্য তৈরি হয় বিমান। কিন্তু পাইলট এবং ক্রু মেম্বারদের ডিউটি টাইম শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে বিমান বাতিল করে দেওয়া হয়। পরের দিন স্থানীয় সময় রাত ৮.৪৪ মিনিটে যাত্রীদের নিয়ে বিমান রওনা দেয়। কিন্তু ফের বিমানে প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেয়। প্রায় ৩.৫ ঘণ্টা পর বিমান এয়ারপোর্টে ফিরে আসে।
৪২ জন যাত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা: এয়ার ইন্ডিয়া সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ১৬ নভেম্বর বিমান বাতিল হওয়ার পর যাত্রীদের ফুকেটের একটি হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করেছিল এয়ারলাইন্স সংস্থা। ওই দিন এআই ৩৭৭-এর ১৪২ জন যাত্রীর অধিকাংশই টিকিট বাতিল করেন। অনেকে দিল্লি ফেরার অন্য ব্যবস্থাও করে নেন। ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী ফুকেটেই রয়ে যান। তাঁদের বুধবার দেশে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
টাইমস অফ ইন্ডিয়া-কে এয়ার ইন্ডিয়ার ওই সুত্র জানিয়েছে, ফুকেটে থাকা ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রীকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদি এই দিন তাঁদের দেশে ফেরানো সম্ভব হয়, তাহলে চার দিন পর তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারবেন।
এয়ারলাইন্স কী বলছে: এই ঘটনার বিষয়ে জানিয়ে একটি বিবৃতি জারি করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। তাতে বলা হয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট এআই ৩৭৭-এর বিলম্বের কারণে যাত্রীদের অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। প্রযুক্তিগত অসুবিধার কারণে বিমান বাতিল করা হয়েছিল। যাত্রীদের সুবিধার জন্য আমাদের গ্রাউন্ড স্টাফরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে। হোটেলে থাকার ব্যবস্থা, খাবার-সহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে। কিছু যাত্রীকে অন্য ফ্লাইটেও পাঠানো হয়। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের পুরো টাকা ফেরত নেওয়ার বিকল্পও দেওয়া হয়েছিল।
