দিল্লির বাসিন্দা শিবম কুকরেজা এমনই একটি ঘটনার কথা শেয়ার করেছেন, যা তাঁর বাড়িতেই ঘটেছিল। একটি লিঙ্কডইন পোস্টে তিনি জানান, কীভাবে প্রবল সঙ্কটকালীন মুহূর্তে Blinkit-এর অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা তাঁর দিদিমার জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে।
এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, সকাল প্রায় ৮টা নাগাদ হঠাৎই শিবমের দিদিমা বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। শিবম লেখেন, “তাঁর কিছুতেই জ্ঞান ফিরছিল না! তবে তাঁর হৃদস্পন্দন চলছিল। আমরা ভীষণ বিভ্রান্ত আর আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।” পরিবার সঙ্গে সঙ্গে ১১২ নম্বরে ফোন করে, কিন্তু অ্যাম্বুল্যান্স আসতে অনেক বেশি সময় লাগছিল। আর এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি সেকেন্ড যেন শেষ না হওয়া অপেক্ষা বলে মনে হয়।
advertisement
ঠিক তখনই শিবমের মনে পড়ে Blinkit-এর অ্যাম্বুল্যান্স ফিচার-এর কথা। তিনি দ্রুত অ্যাপটি খুলে দেখেন, মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যেই সাহায্য পৌঁছে যেতে পারে। এক মুহূর্তও দেরি না করে তিনি সঙ্গে সঙ্গে অনুরোধটি পাঠিয়ে দেন।
মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই শিবম Blinkit-এর পক্ষ থেকে একটি কনফার্মেশন কল পান। চার মিনিট পর দু’জন প্রশিক্ষিত নার্সকে সঙ্গে নিয়ে একটি অ্যাম্বুল্যান্স তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায়।
শিবম লেখেন, “তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে দিদিমার ভিটালস চেক করেন বিপি, সুগার লেভেল চেক করেন। দেখতে পান তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা নেমে গিয়েছে ৪০-এ। তাঁরা দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেন, স্যালাইন দেন এবং মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই আমার দিদিমা জ্ঞান ফিরে পান। এরপর তাঁকে নিরাপদে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।”
খরচের কথা জানতে চাইলে শিবম অবাক হয়ে যান। নার্সরা বলেন, “এটাই Blinkit-এর বিশ্বাস। আমরা এই পরিষেবাটা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিই।” শিবম টিপ দিতে চাইলে তাঁরা তা ভদ্রভাবে ফিরিয়ে দেন। এই অভিজ্ঞতা নিয়ে ভাবতে গিয়ে শিবম বলেন, “শুধু কোনো এনজিওতে দান করার বদলে তারা একটি বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করেছে এবং এমন একটি সমাধান তৈরি করেছে, যা সত্যিই মানুষের জীবন বাঁচায়।”
তিনি আরও বলেন, “‘১০ মিনিটে ডেলিভারি’ নিয়ে এত বিতর্ক আর সমালোচনার মাঝেও এমন অভিজ্ঞতাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়—দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা হলে প্রযুক্তি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো সমাজে কতটা বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”
