তবে আধুনিকতার এই যুগে বেশিরভাগ বাড়িতেই ব্যস্ততা থাকে বেশি। ফলে সময় নিয়ে পিঠে তৈরি করার বিষয়টি সম্ভব হয়ে ওঠেনা। তাই তো বেশ কিছুটা সময় ধরে আলাদা করে কিছু পিঠের দোকান দেখতে পাওয়া যায় শীতের সময়।
আর এই শীতের পিঠের দোকান গুলিতে বহু মানুষের ভিড় জমে রকমারি পিঠে খেতে। জেলা সদর শহরের ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকায় এমনই এক পিঠের দোকান বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
advertisement
এই দোকানের কর্ণধার প্রিয়া দাস জানান, শীতের মরসুম শুরু হওয়ার পর থেকে তাঁরা এই পিঠের দোকান শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই কাজ তাঁরা করছেন।
মূলত, শীতের সময় পিঠের চাহিদা বেড়ে ওঠে, তাই এই দোকান থেকে বেশ অনেকটাই মুনাফা হয়। মূলত তিন ধরনের পিঠে তাঁরা তৈরি করছেন। ভাঁপা পিঠে, পাটি সাপটা এবং মালপোয়া।
যেগুলির দাম ১০ টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকছে ৩০ টাকা পর্যন্ত। প্রচুর মানুষের ভিড় জমছে তাঁদের দোকানে পিঠের স্বাদ নেওয়ার জন্য।”
দোকানের আর এক কর্ণধার ছায়া সিংহ জানান, “শীতের সময় মানুষ পিঠে খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে অন্যান্য মরসুমে এতটা বিক্রি হয় না।’’
তাই মূলত শীতের মরসুম থেকেই দোকান করা শুরু করেন। বছরের অন্যান্য সময় বাড়িতে থাকলেও, শীতের মরশুমে ভাল টাকা রোজগার করতে পারেন তাঁরা।
দোকানের এক গ্রাহক জহিরুল হক জানান, “একটা সময় ছিল যখন প্রত্যেক বাঙালি বাড়িতে-বাড়িতে পিঠে তৈরির চল ছিল। এখন ব্যস্ততার মাঝে আর সেটা হয় না অধিকাংশ বাড়িতে। তবে পিঠে খেতে ইচ্ছে হলে তখন এই ধরনের দোকান ভরসা।”
জেলা শহরের বুকে এই ধরনের আর দোকান নেই। তাই বর্তমান সময়ে এই দোকান বেশ অনেকটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। শীতের আমেজ ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে পড়তে শুরু করেছে জেলা জুড়ে।
ফলে পিঠের দোকানে ভিড় বাড়ছে ক্রেতাদের। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত বহু মানুষের আনাগোনা লেগেই রয়েছে এই দোকানে। একে কেন্দ্র করেই স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন দুই মহিলা।
Sarthak Pandit