শতাব্দী এক্সপ্রেস চালু হয়েছে আগেই। ট্রেন ভোরে ছাড়ে এনজেপি থেকে। আবার ফিরে আসে রাতে। এ বারে এই বন্দে ভারত সকালে ছাড়বে হাওড়া থেকে আর এনজেপি থেকে ছাড়বে বিকেলে। এই ট্রেন চালু হলে সুবিধে হবে উত্তরবঙ্গবাসীর। নিত্য যাত্রী, স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া থেকে ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুবিধে হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্যেও ট্রেনটির গুরুত্ব অপরিসীম। ভরা মরসুমে ট্রেন বা উড়ানের টিকিটের হাহাকার পড়ে যায়। অতিরিক্ত ট্রেন চালু হওয়ায় সেই খামতি অনেকাংশেই কাটবে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ শুরুতেই সুপারহিট বন্দে ভারত! বিক্রি হয়ে গেল প্রথম দু' দিনের সব টিকিট
পর্যটন ব্যবসায়ী রাজ বসু জানান, শতাব্দীর পালটা একটা ট্রেনের দাবি ছিল বহু পুরনো। সেটা যে বন্দে ভারত মেটাবে ভাবতে পারিনি। উত্তরের পর্যটনের প্রসারে এই ট্রেনের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে। সেইসঙ্গে রেলের কাছে আর্জি, শতাব্দী বা বন্দে ভারতের মতো একটি ট্রেন যদি এনজেপি ও গুয়াহাটির মধ্যে চালু করে তাহলে গোটা দেশের সঙ্গে উত্তর পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।
টিটির দ্রোনাচার্য কোচ ভারতী ঘোষ আজ রাতে এসেছিলেন নয়া ট্রেনকে বরণ করে নিতে। তিনি জানান, উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের বন্দে ভারত বড় পাওনা। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার অনশুল গুপ্তা জানান, এই ট্রেন চালু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের অনেক সুবিধে হবে। এনজেপি ও মালদহের মধ্যে রেললাইন সংস্কারের কাজ শুরু হবে। এই লাইন আপগ্রেড করা হলে ট্রেনের গতিও বাড়বে। ১ জানুয়ারি থেকে যাত্রী পরিষেবা চালু হচ্ছে। অনলাইনে প্রথম কয়েকদিন টিকিটের ব্যাপক চাহিদা।
আজ এনজেপি স্টেশনে বিজেপির মহিলা নেত্রীরা ফুল ছিটিয়ে, শঙখ ধ্বনি ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে নয়া ট্রেনকে বরণ করে নেয়। ছিল ঢাকের বাজনাও। উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ।
পার্থপ্রতিম সরকার
