TRENDING:

সাংঘাতিক বিপর্যয়, তলিয়ে যাচ্ছে সব! গঙ্গা ভাঙনের মুখে সরকারি প্রাথমিক স্কুল...

Last Updated:

নদী ভাঙন এতটাই তীব্র যে এলাকার মানুষজন বাড়িঘর ভেঙে নিয়ে সরাতে শুরু করেছেন। ফসলি জমি বাড়িঘর রাস্তা, সমস্ত কিছুই চোখের সামনে গঙ্গায় মিশে যাচ্ছে। স্থানীয়দের ক্ষোভ, নেতা মন্ত্রীরা আসেন, দেখে চলে যান।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
মালদহ: গঙ্গার জলস্তর কমতেই ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙন শুরু হয়েছে মালদহের রতুয়ায়। গত ২৪ ঘণ্টায় রতুয়ার মহানন্দাটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের জিতুটোলা ও মুলিরামটোলা গ্রামের বিঘের পর বিঘে জমি গঙ্গাগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। এক রাতেই নদী লোকালয়ে দিকে অন্তত ৩০-৪০ মিটার এগিয়ে এসেছে। গঙ্গা ভাঙনের মুখে সরকারি প্রাথমিক স্কুল। সরানো হয়েছে স্কুলের জরুরী নথি ও আসবাবপত্র।
গঙ্গা ভাঙন। প্রতীকী ছবি
গঙ্গা ভাঙন। প্রতীকী ছবি
advertisement

সাধারণভাবে বর্ষার মরশুমে নদীর জল বাড়তে শুরু করলে আর নদীর জল কমার সময় দুইবার নদী ভাঙন তীব্র হয়। গত ২-৩ দিনে মালদহে দ্রুতগতিতে কমেছে গঙ্গা নদীর জলস্তর। এতে বন্যা বা প্লাবনের আশঙ্কা কমলেও বিপদ বাড়িয়েছে নদী ভাঙন। গত ২৪ ঘন্টায় ভয়ঙ্কর নদী ভাঙনের মুখে মালদহের রতুয়া মহানন্দটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের জিতুটোলা ও মুলিরামটোলা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গত দু’দিন আগেও লোকালয় থেকে গঙ্গানদী অন্তত ৭০ থেকে ৮০ মিটার দূরে ছিল। কিন্তু, ইতিমধ্যেই সেই দূরত্ব কমে দাঁড়িয়েছে ৩০ মিটারের কাছাকাছি। এই পরিস্থিতিতে গঙ্গায় তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে জিতুটোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। সরকারি এই প্রাথমিক স্কুল তৈরি হয় ১৯৭৩ সালে। বর্তমানে তিনজন শিক্ষক আর প্রায় শ’খানেক ছাত্র রয়েছে। এই স্কুল যেকোনও সময় নদীগর্ভে চলে যেতে পারে এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ নথি, আসবাবপত্র সরানো হয়েছে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে জঞ্জালীটোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুল নদীর গ্রাসে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন স্কুল কর্তৃপক্ষ। উদ্বিগ্ন মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
গলবে না মাছিও! ভুটান -অসম সবদিকেই কড়া নজর কেন্দ্রীয় বাহিনীর, ভোটের আগে চূড়ান্ত সতর্কতা
আরও দেখুন

নদী ভাঙন এতটাই তীব্র যে এলাকার মানুষজন বাড়িঘর ভেঙে নিয়ে সরাতে শুরু করেছেন। ফসলি জমি বাড়িঘর রাস্তা, সমস্ত কিছুই চোখের সামনে গঙ্গায় মিশে যাচ্ছে। স্থানীয়দের ক্ষোভ, নেতা মন্ত্রীরা আসেন, দেখে চলে যান। কাজের কাজ কিছুই হয় না। এলাকার বিপন্ন ও দুর্গত বাসিন্দারা বলছেন, বিকল্প জমি নেই। কাজ নেই। ফলে খাবেন কি? আপাতত প্রাণ বাঁচিয়ে শেষ সম্বলটুকু নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বিপন্ন মানুষ।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/উত্তরবঙ্গ/
সাংঘাতিক বিপর্যয়, তলিয়ে যাচ্ছে সব! গঙ্গা ভাঙনের মুখে সরকারি প্রাথমিক স্কুল...
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল