বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত যাবে এই পণ্যবাহী রেল। রবিবার হলদিবাড়ি স্টেশন থেকে পাথরবোঝাই ৪০টি বগি বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেয়। বিকেলে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে ওই ট্রেন। দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ শুরু হওয়ায় খুশি দুই পারের বাসিন্দারাই। ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৮২ কোটি টাকা খরচ করে এই রেলপথ সম্প্রসারণ করা হয়েছিল।
advertisement
রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ পণ্যবাহী ট্রেনটি বাংলাদেশে যাওয়ার কথা থাকলেও তা হয়ে ওঠেনি নানা সমস্যার কারণে। এর পর ট্রেনটি বিকেল ৪টে ৩৬ মিনিট নাগাদ হলদিবাড়ি স্টেশন থেকে ছেড়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেনটি দেখতে রেললাইনের দু'ধারেই অপেক্ষা করছিলেন সাধারণ মানুষ। গত বছর ১৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই রেল পথের উদ্বোধন করেছিলেন।
১৯৬৫ সালে শেষ এই পথ দিয়ে রেল চলাচল করেছিল। রবিবার কড়া নিরাপত্তার আয়োজন ছিল এই ট্রেন চলাচল ঘিরে। শিলিগুড়ির রাধাবাড়ি সেক্টরের ৬৫ নম্বর ব্যাটালিয়ানের দায়িত্বে রয়েছে হলদিবাড়ি-চিলাহাটি লিঙ্ক গেটের নিরাপত্তা। এই রেল যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের বৃদ্ধি হবে এবং এর ফলে নেপাল-ভুটানেরও উন্নতি হবে।
