মৃতার নাম সম্পৃতা চৌধুরী সান্যাল (৪৮)। বাড়ি পাকুরতলা এলাকায়। তিনি পেশায় আইসিডিএস কর্মী। ইংরেজবাজার পুর এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৬৩ নম্বর বুথে বিএলও-র দায়িত্বে ছিলেন।
মৃতার স্বামীর অভিযোগ, এসআইআর-এর জন্য প্রচণ্ড কাজের চাপ ছিল সম্পৃতাদেবীর উপরে। তার উপরে গত কয়েকদিনের তীব্র ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সম্পৃতাদেবী৷ গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎক তাঁকে বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। কিন্তু এসআইআর-এর কাজের চাপ প্রচণ্ড ছিল। ফলে তাঁর স্ত্রী আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ মৃতার স্বামী অর্ধেন্দু চৌধুরীর। শেষ পর্যন্ত আজ ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।
advertisement
খবর পেয়ে বাড়িতে ছুটে যান ইংরেজবাজার পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর গায়ত্রী ঘোষ। কাউন্সিলরের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত চাপের ফলেই বিএলও-রা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। যার পরিণতিতে সম্পৃতাদেবীর মৃত্যু হল।
পাল্টা বিজেপি-র দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। তবে সব দোষ নির্বাচন কমিশনের উপরে চাপিয়ে দিলে হবে না। তৃণমূলের যাঁরা জনপ্রতিনিধি বা নেতৃত্ব আছেন, তাঁরাও বিএলও-দের উপর চাপ সৃষ্টি করছেন। হলে এই এইসব সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
