পুলিশ সূত্রে খবর, মোনালিসা তাঁর প্রেমিক ফরমানকে নিয়ে থানায় আসেন। জানান, গত দেড় বছর ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ফেসবুকেই তাঁদের পরিচয় হয়। ধর্মীয় বাধার কারণে মোনালিসার বাবা জয় সিং ভোঁসলে এই সম্পর্কের তীব্র বিরোধিতা করেন। মোনালিসার অভিযোগ, পরিবারের কাছ থেকে তাঁকে প্রচণ্ড চাপ এবং হুমকির সম্মুখীন হতে হয়, ফলে তাঁকে বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়। যুগলের কথায়, কেরালা তাঁদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। সেখানে তাঁরা কোনও সামাজিক বা ধর্মীয় চাপ ছাড়াই শান্তিতে বসবাস করতে পারে। পুলিশ মোনালিসার নথিপত্র পরীক্ষা করে দেখেছেন। এরপর মোনালিসার বাবাকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়। আইন অনুসারে, মোনালিসার নিজের ইচ্ছামতো জীবনযাপন করার অধিকার রয়েছে। তাঁরা যাতে নিরাপদ থাকেন, তা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। অবশেষে পরিণতি পায় তাঁদের প্রেম। প্রেমিক-প্রেমিকা থেকে এখন তাঁরা স্বামী-স্ত্রী।
advertisement
প্রসঙ্গত, গতবছর কুম্ভমেলায় ভাইরাল হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন সাধু, তাঁদের মধ্যে ছিলেন আইআইটি বাবা। ঠিক তেমন সকলের নজর কেড়েছিলেন এই মেয়ে। কুম্ভমেলায় মালা বিক্রি করতে দেখা যায় এক শ্যামলা রঙের মেয়েকে। হাতে বড় ব্যাগে নানা রকমের মালা নিয়ে সে ঘুরছিল মেলায়। সেই মালা বিক্রেতাকে নিয়ে মুহূর্তে তৈরি হয় শোরগোল। কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের চোখে পড়েন এই মালা বিক্রেতা। চোখের মণির রং দেখে সকলেই অবাক। সেই সঙ্গে এই মালা বিক্রেতার কথা বলার স্টাইলও মন কেড়েছিল নেটিজেনদের। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে নিজের হ্যান্ডেলও ছিল মোনালিসার। তবে এই মুহূর্তে তুমুল ভাইরাল হয়েছে মোনালিসার ছবি ও ভিডিও। সোশ্যাল মাধ্যমে সকলেই এই মেয়ের চোখের প্রশংসা করছিলেন। এটাই সেই মোনালিসা। আপাতত তিনি ও তাঁর প্রেমিক যাতে কোনও ক্ষতির মুখে না পড়েন, সেটাই দেখছে পুলিশ।
