ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, শ্বাসরোধের কারণেই মৃত্যু হয়েছে জিতেন্দ্রর। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ, তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, জিতেন্দ্রকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে তাঁরই স্ত্রী। সেই সময় জিতেন্দ্রর শ্বশুর, শাশুড়ি এবং শালা তাঁকে জাপটে ধরে রেখেছিলেন। গোটা ঘটনা ধামাচাপা দিতেই বিষয়টাকে আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
advertisement
জানলার গ্রিল থেকে মাফলার পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল জিতেন্দ্রর দেহ। তিনজন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে খোঁজ চলছে জিতেন্দ্রর শ্যালকের। গত ২৫ নভেম্বর জ্যোতির সঙ্গে জিতেন্দ্রের বিয়ে হয়। কর্মসূত্রে দু’জনেই বরেলিতে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।
গত ২৬ জানুয়ারি ঘর থেকে জিতেন্দ্রর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। জ্যোতির পরিবারের দাবি, জিতেন্দ্র গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু ময়নাতদন্ত করার পরেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসে। রিপোর্টে দেখা যায়, শ্বাসরোধ করার ফলে জিতেন্দ্রর মৃত্যু হয়েছে। এর পরে পুলিশের জেরার মুখে জিতেন্দ্রর স্ত্রী জ্যোতি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, জ্যোতির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার টাকা তুলেছিলেন জিতেন্দ্র। তারপর জুয়া খেলে হেরে যান সেই টাকা। এরপর থেকেই দম্পতির মধ্যে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। আর তারই চরম পরিণতিতে ঘটে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা।
