একটি যুগান্তকারী ঘোষণায় পাটনা হয়ে বারাণসী এবং শিলিগুড়ির মধ্যে উচ্চ-গতি সম্পন্ন করিডোর (high-speed corridor) চালুর কথা জানানো হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বুলেট ট্রেন চলাচলে সুবিধা প্রদান করবে। এটি পূর্ব ভারতে উচ্চ-গতির সংযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। এই করিডোরটি ভবিষ্যতে গুয়াহাটি পর্যন্ত সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা এই অঞ্চলের জন্য একটি প্রধান উচ্চ-গতির রেল মেরুদণ্ড তৈরি করবে।
advertisement
মাননীয় মন্ত্রী ডানকুনি-সুরাট ফ্রেট করিডোর (Dankuni–Surat Freight Corridor) নির্মাণের ঘোষণাও করেছেন। এটি একটি কৌশলগত লজিস্টিক প্রকল্প যা পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটকে উপকৃত করবে। এই করিডোরটি মালবাহী পরিবহনের দক্ষতা বৃদ্ধি করবে, যাতায়াতের সময় কমিয়ে দেবে এবং একাধিক রাজ্যের শিল্প সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যাত্রী পরিষেবা সম্প্রসারণের কথা তুলে ধরে শ্রী বৈষ্ণব জানান যে, এই বছর আধুনিক ট্রেন পরিষেবা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক বছরেই পশ্চিমবঙ্গে এক ডজনেরও বেশি নতুন ট্রেন চালু করা হয়েছে, যা যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং যাত্রীদের সুবিধা উন্নত করেছে।
২০১৪ সালের পর কলকাতা মেট্রো নেটওয়ার্কের দ্রুত সম্প্রসারণের মাধ্যমে নগর রেল পরিবহনেও নতুন গতি এসেছে। যেখানে ১৯৭২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ৪০ বছরে মাত্র ২৭ কিমি মেট্রো লাইন নির্মিত হয়েছিল, সেখানে ২০১৪ পরবর্তী মাত্র ১১ বছরে আরও ৪৫ কিমি মেট্রো লাইন যুক্ত করা হয়েছে, যা উন্নয়নের দ্রুত গতিকে নির্দেশ করে।
এছাড়াও, অমৃত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমবঙ্গের ১০০টিরও বেশি রেলওয় স্টেশনকে আধুনিক যাত্রী পরিষেবা এবং উন্নত পরিকাঠামো দিয়ে পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে, যার লক্ষ্য ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করা এবং বিশ্বমানের স্টেশন সুবিধা তৈরি করা। মাননীয় রেলমন্ত্রীর প্রেস ব্রিফিংয়ের পর, পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী মিলিন্দ দেউস্করও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পূর্ব রেলের বিশেষ উন্নয়নমূলক কাজ ও সাফল্য এবং সামগ্রিকভাবে ভারতীয় রেলের বিষয়ে আন্তরিক আলোচনা করেন।
