এদিন মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা প্রসঙ্গে বিচারপতির নির্দেশ, ‘‘মাইক্রো অবজারভাররা শুধুমাত্র সিদ্ধান্ত নিতে সহযোগিতা করবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরওই৷ মাইক্রো অবজারভাররা শুধুমাত্র অ্যাসিস্ট করবেন চিহ্নিত স্ট্যাচুয়েটরি অথরিটিকে’’৷ তিনি আরও বলেন, ‘‘নথি যেহেতু জমা পড়েছে এবং হিয়ারিংও হয়ে গিয়েছে। স্ক্রুটিনাইজিং করার জন্য আরও সময় লাগতে পারে, আমরা তাই আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়ার। ১৪ ফেব্রুয়ারির পর।’’ পাশাপাশি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ১ সপ্তাহ অতিরিক্ত বাড়ানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট৷
advertisement
এ প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানায়, ৪ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যাপিয়ার করেছিলেন তাঁর আইনজীবীদের সঙ্গে। মাইক্রো অবজারভারদের মোতায়েন করার বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছিল। কমিশনের তরফে জানানো হয়, বারংবার অনুরোধ করার পরও রাজ্য সরকারের তরফে যথোপযুক্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়নি। যাঁরা কোয়াশি জুডিশিয়াল ডিউটি পালন করতে সক্ষম। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, অ্যাডিকুয়েট কর্মী দেবেন বলেছিলেন৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, অ্যাডিকুয়েট কর্মী দেবেন বলেছিলেন।
প্রসঙ্গত, এসআইআর মামলায় রাজ্যের অফিসার নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ তুলেছিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পর্যাপ্ত অফিসার দিচ্ছে না বলে সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ করেছিল কমিশন। সোমবারের শুনানির আগেই রবিবারই অফিসার নিয়োগের কথা জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দেয় রাজ্য সরকার। এদিন সুপ্রিম কোর্টের সওয়াল-জবাব পর্বে এ নিয়ে জোর আলোচনা চলে। রাজ্যের তরফে আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন, আমরা ৮৫০৫ জন আধিকারিকের নাম দিয়েছি। ৭ ফেব্রুয়ারি ইমেইল করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি এরপর বলেন, আপনারা কি নামের তালিকা দিয়েছেন? কমিশনের তরফে পাল্টা আইনজীবী বলেন, আমাদের কাছে কোনও নাম দেওয়া হয়নি। প্রধান বিচারপতি পাল্টা বলেন, নাম ডেজিগনেশন, সহ সব তথ্য না দিলে হবে না।
