এনডিটিভি-তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি সন্দীপ মেহতা মহিলার স্বামীর উদ্দেশে মন্তব্য করেন, ‘আপনি কোনও পরিচারিকাকে বিয়ে করে আনছেন না৷’ একই সঙ্গে বিচারপতি আরও মনে করিয়ে দেন, সময়ের পরিবর্তন হয়েছে৷ এখন সাংসারিক কাজে পুরুষদেরও সমানভাবে সহযোগিতা করা উচিত৷
আর এক বিচারপতি বিক্রম নাথ মহিলার স্বামীর উদ্দেশে বলেন, ‘সময় বদলে গিয়েছে৷ আপনাকেও বাড়ির রান্নাবান্না, বাসন মাজার কাজে হাত লাগাতে হবে৷’
advertisement
এর আগে অবশ্য শীর্ষ আদালত ওই দম্পতিকে নিজেদের মধ্যে মিটমাট করে নেওয়ার জন্য বুঝিয়েছিল৷ যদিও সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়৷ ওই দম্পতির ২০১৭ সালে বিয়ে হয় এবং তাঁদের আট বছরের একটি সন্তানও রয়েছে৷
এ ক্ষেত্রে মহিলার স্বামীই ডিভোর্স চেয়ে মামলা দায়ের করেন৷ আবেদনে তিনি বলেন, বিয়ের একসপ্তাহ পর থেকেই স্ত্রী তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করেন৷ ওই ব্যক্তির আরও অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী তাঁকে এবং তাঁর মা-বাবাকে গালিগালাজও করতে শুরু করেন৷
অভিযোগকারীর স্ত্রীর অবশ্য পাল্টা দাবি, স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির অনুমতি নিয়েই সন্তানের জন্ম দেওয়ার সময় তিনি বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন৷ সন্তান জন্মের পর রীতি পালনের অনুষ্ঠানে ডাকা হলেও শ্বশুরবাড়ির কেউ সেখানে যাননি বলে অভিযোগ ওই মহিলার৷ এমন কি, শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁর বাবা-মায়ের কাছে অর্থ এবং গয়নাও চাওয়া হয় বলে দাবি করেন ওই মহিলা৷
নিম্ন আদালত মামলাকারী স্বামীর আর্জি মেনে নিয়ে নিষ্ঠুরতার অভিযোগে সিলমোহর দিয়ে ডিভোর্সের আবেদনে সাড়া দেয়৷ পাল্টা হাইকোর্টে আবেদন করেন ওই ব্যক্তির স্ত্রী৷ হাইকোর্ট ডিভোর্স বাতিল করে৷ হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন স্বামী৷
