এর পাশাপাশি এ দিন সুপ্রিম কোর্ট আরও নির্দেশ দিয়েছে, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপ্যান্সি-র আওতায় কোন কোন ভোটারদের নাম রয়েছে, সেই তালিকাও প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে৷ ভোটারদের প্রতিনিধি হিসেবে বিএলএ-রা উপস্থিত থাকতে পারবেন বলেও এ দিন জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷
এ দিন শীর্ষ আদালতে শুনানি চলাকালীন ভোটারদের নথির যাতে প্রাপ্তিস্বীকার করে কমিশন, সেই আর্জি জানান আইনজীবী কপিল সিবাল৷ তিনি বলেন, একটা রিসিভড কপি দেওয়া হোক। অনেক সময় ওরা স্বীকার নাও করতে পারে যে নথি পায়নি৷ এর জবাবে কমিশনের আইনজীবী রাকেশকুমার দ্বিবেদী বলেন, একটি সাংবিধানিক সংস্থার উপরে এতটুকু ভরসাও নেই? আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও জন্ম তারিখের প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করছে না নির্বাচন কমিশন৷
advertisement
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর ডিভিশন বেঞ্চ অবশ্য নির্দেশ দেয়, কমিশন যদি কোনও নথি জমা নেয় তাহলে ভোটারদের তার রিসিভড কপি দিতে হবে৷
শীর্ষ আদালত একই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছে, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপ্যান্সি-র তালিকা প্রকাশের পর আপত্তি জানানোর জন্য ১০ দিন সময় পাবেন ভোটাররা৷ ভোটাররা যে নথি জমা দিচ্ছেন, তাতে কমিশন সন্তুষ্ট না হলে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে ফের নোটিস দিতে হবে৷ নথি জমা করার পরেও ভোটারদের বক্তব্য শুনতে হবে কমিশনকে৷ শুনানির সময় রাজ্য সরকারকেও আইনশৃঙ্খা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে৷
