তবে শুধু গৌরী লঙ্কেশ হত্যা মামলাই নয়, পাঙ্গারকর, নালাসোপারা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের মামলাতেও অভিযুক্ত। শ্রীকান্ত পাঙ্গারকর জলনা পৌর সংস্থার একটি ওয়ার্ড থেকে জয়ী হয়েছেন। তাঁর মতো দাগী প্রার্থীর নির্বাচন জয়ের ফলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
advertisement
এই ঘটনা ফের জন প্রতিনিধিদের যোগ্যতা, প্রার্থীদের কেরিয়ার যাচাই এবং ভোটারদের সচেতনতা নিয়ে বিতর্ককে উসকে দিয়েছে। বিশেষ করে পাঙ্গারকর যখন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত, তার ফের নির্বাচনে জিতে যাওয়া বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। তবুও, নির্বাচন কর্মকর্তারা বলেছেন, কোনও অভিযুক্ত, যিনি দোষী সাব্যস্ত হননি, তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে কোনও আইনি বাধা নেই।
শেষ পাওয়ার খবর অনুযায়ী, বিএমসি-র ২২৭ টি ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে ৯৫টি ওয়ার্ডে৷ একনাথ শিণ্ডের শিবসেনা ২৯টিতে৷ উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা এগিয়ে ৭১টি ওয়ার্ডে, রাজ ঠাকরের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা ১০টি ওয়ার্ডে৷ মুম্বইয়ে খাতা খুলতে পারেনি এনসিপি-র কোনও পক্ষই৷ পুণের পওয়ার-ও হাতছাড়া তাদের৷ মুম্বইয়ের মতো পুণে পুরসভাও দখল করতে চলেছে বিজেপি৷
গত ১৫ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের ২৯টি পুরসভায় হয় ভোটগ্রহণ৷ তার মধ্যে মুম্বই, পুণে এবং ঠাণে পুরসভার দিকে রাজনৈতিক কারণেই নজর ছিল বেশি৷ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় গণনা পর্ব৷ ১২টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যায় ছবি৷ সাড়ে ১২টার মধ্যেই ২২৭ ওয়ার্ডের পুরসভার ম্যাজিক ফিগার টপকে তিন অঙ্কে পৌঁছে যায় বিজেপি নেতৃতাধীন ‘মহাজুটি’ জোট৷ অপরদিকে, তখনও সেই ৬৪-এই আটকে উদ্ধবের শিবসেনা৷ কংগ্রেস আটকে ১৪-এ৷ পুণে এবং নাগপুরেও তখন এগিয়ে বিজেপি৷ শিন্ডের শিবসেনা এগিয়ে পুণে পুরসভায়৷
