উত্তর প্রদেশের গাজিপুর থেকে গ্রেফতারির পর সোনম প্রথমে পুলিশের কাছে দাবি করে, তাকে অপহরণ করে গাজিপুরে ফেলে দিয়ে গিয়েছে অপহরণকারীরা৷ যদিও সোনম যে মিথ্যে কথা বলছে তা আগেই বুঝে গিয়েছিল
আরও পড়ুন: প্রেমিক রাজ নয়, বিয়ের আগে পরে ১১৯ বার ফোনে কার সঙ্গে কথা সোনমের? মেঘালয় হত্যাকাণ্ডে নতুন নাম
advertisement
দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া-তে মেঘালয় পুলিশের তদন্তকারীরা মোহিত এবং পীযূষ নামে দু জন গাড়ি চালককে খুঁজে বের করে পুলিশ৷ এই দু জন মিলেই একটি গাড়িতে করে মেঘালয় থেকে উত্তর প্রদেশ পৌঁছে দিয়েছিল৷ গত ৮ জুন সোনমকে উত্তর প্রদেশ পৌঁছে দিতে ওই দুই গাড়ি চালককে ভা়যা ককরএ ওই দুই চালকই পুলিশকে জানিয়েছেন, গাড়ির ভিতরে বোরখা পরে বসেথছিল সোনম৷ এমন কি, মেঘালয় থেকে বেনারস পর্যন্ত ১০০০ কিলোমিটার রাস্তায় সোনম রাস্তার ধারের কোনও ধাবাতেও গাড়ি থামাতে দেয়নি সে৷ শেষ পর্যন্ত বারাণসী থেকে আরও ৯০ কিলোমিটার দূরে ৯ জুন রাতে গাজিপুরের একটি ধাবাতে দেখা মেলে সোনমের৷ সেখান থেকেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে৷
রাজা রঘুবংশী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ সোনমের বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছে৷ সঞ্জয় ভার্মা নামে এক ব্যক্তিরও নতুন করে খোঁজ মিলেছে৷ বিয়ের আগে পরে এই সঞ্জয়ের সঙ্গে দুশো বারেরও বেশি ফোনে কথা হয় সোনমের৷ এই সঞ্জয়েরও খোঁজ করছে পুলিশ৷ সোনমদের সংস্থায় কর্মরত দুই মহিলা কর্মীকেও নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ৷ সোনমের দাদাই তাঁদের পুলিশের কাছে নিয়ে যান৷ প্রসঙ্গত, সোনমদের সংস্থারই কর্মী ছিলেন রাজ কুশাওয়া৷ সেই সূত্রেই সোনমের সঙ্গে রাজের পরিচয় হয়৷
