এই ঘটনাটি পালি শহরের মান্ডিয়া রোডে অবস্থিত শেখোন কি ধানির। এখানে বসবাসকারী আফসানা বানো নামে এক মহিলা চলতি বছরের ২০ মার্চ থেকে ধারাবাহিকভাবে সাপের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত তাঁকে অষ্টমবারের মতো সাপে কামড়েছে। পরিবার বলছে যে, এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে এবং প্রতি এক বা দুই মাস অন্তর ওই মহিলা সাপের কামড়ের শিকার হন।
advertisement
২০ মার্চ থেকে সাপটি তাঁকে ক্রমাগত অনুসরণ করছে-মহিলার স্বামী মুশতাক খান জানিয়েছেন যে, এই ঘটনা এই বছরের ২০ মার্চ থেকে শুরু হয়েছিল। এর পরে, ১৮ এপ্রিল, ২৫ মে এবং তারপরে ২ সেপ্টেম্বরও সাপটি আফসানাকে কামড়ে দেয়। পরিবারের কাছে এই ঘটনার মেডিক্যাল স্লিপ আছে। এর বাইরেও সাপের কামড়ের দুটি ঘটনা ঘটেছে। এখন ৭ সেপ্টেম্বর, আফসানাকে বিকেলে আবার একটি সাপ কামড়েছে।
মুশতাক জানান যে, তিনি সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না। আফসানা বাড়ির বাইরে কাপড় শুকাচ্ছিলেন, এমন সময় হঠাৎ একটি সাপ পায়ে কামড় দেয়। শব্দ শুনে তাঁর ভাই ফিরোজ এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আফসানাকে তাৎক্ষণিকভাবে পালির বাঙ্গার হাসপাতালে নিয়ে যান।
চিকিৎসকরাও অবাক হয়ে যান-হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা মহিলার পায়ে সাপের কামড়ের চিহ্ন নিশ্চিত করেন। চিকিৎসক ঋদ্ধি আগরওয়াল বলেন যে মহিলার পায়ে স্পষ্ট সাপের কামড়ের চিহ্ন দেখা গিয়েছে এবং সেই ভিত্তিতে চিকিৎসা চলছে।
এর আগেও আফসানাকে সাপে কামড়ানোর পর পালি থেকে যোধপুর এইমস-এ রেফার করা হয়েছিল, সেখানে সাপের কামড়ের চিকিৎসার পাশাপাশি চিকিৎসকরা রোগীকে একজন মনোবিজ্ঞানীর কাছেও দেখানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। একই মহিলাকে বার বার সাপের শিকার হতে দেখে চিকিৎসকরাও অবাক হয়েছেন এবং পরিবার ভয় ও বিভ্রান্তিতে রয়েছে।
পরিবারের উদ্বেগ-মুশতাক খান এবং তাঁর পরিবার বলছেন যে, তাঁরা বুঝতে পারছেন না কেন সাপটি বার বার কেবল তাঁর স্ত্রীকে টার্গেট করছে। এই ঘটনায় পুরো পরিবার আতঙ্কিত এবং প্রতিবারই তাঁকে বাঁচানোর জন্য লড়াই করতে হচ্ছে।
